সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় এসএসসির প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা

Reporter Name / ৯৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৫

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ব্যুরো প্রধান ময়মনসিংহঃ

অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আটকে রাখা অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহ সদরের রেনেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ পারভীনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পরীক্ষার আগের দিন বুধবার দুপুর ২টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন ছাত্রী ও অভিভাবকরা। এ সময় প্রধান শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন না।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এসএসসি পরীক্ষার সব সরকারি ফি পরিশোধ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থীর এক টাকাও বকেয়া নেই। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অন্যায়ভাবে অতিরিক্ত টাকার জন্য প্রবেশপত্র আটকে রেখেছেন। আগামীকাল পরীক্ষা থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক প্রবেশপত্র না দিয়ে তার বাসায় নিয়ে তালাবদ্ধ করে রেখেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও এক ছাত্রীর অভিভাবক মো. ফারুক হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, যেসব ছাত্রী উপবৃত্তি পায় তাদের কাছে অতিরিক্ত ১৬০০ টাকা দাবি করেন প্রধান শিক্ষক। আর যারা উপবৃত্তি পায় না তাদের কাছে দাবি করেন ২ হাজার টাকা। এই টাকা না দিলে তিনি প্রবেশপত্র দেবেন না বলে জানিয়েছেন।

আরেক অভিভাবক মমতাজ মিয়া বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছে বিদ্যালয় কোনো টাকা পায় না। অতিরিক্ত টাকার জন্য প্রবেশপত্র আটকে রাখা হয়েছে। বিষয়টা নিয়ে আমরা খুব চিন্তিত। এ বিষয়ে জানার জন্য প্রধান শিক্ষক শাহনাজ পারভীনের মোবাইলফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক কামরুন নাহার বলেন, ছাত্রীরা আগেই সব টাকা পরিশোধ করেছে। প্রধান শিক্ষক ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রবেশপত্র আটকে রেখেছেন। আমি সকালে এসে দেখি শিক্ষার্থীরা এখানে বিক্ষোভ করছে। পরে স্কুলের পিয়নের কাছে শুনলাম তিনি প্রবেশপত্র বাসায় নিয়ে গেছেন। অতিরিক্ত টাকা তার বাসায় পৌঁছে দিলে তিনি প্রবেশপত্র দেবেন বলে জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আবু সায়েম হাসান সাংবাদিকদের বলেন, এটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ঘটনা। এটি সত্য হলে প্রধান শিক্ষককে পুলিশে দেওয়া দরকার। আমি শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সচিব সাখাওয়াত হোসেন বলেন, টাকার জন্য কোনো পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আটকে রাখা যাবে না। প্রয়োজনে আমরা শিক্ষার্থীদের বাসায় গিয়ে প্রবেশপত্র দিয়ে আসব। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম এর নজরে আসে। পরে জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম এর পদক্ষেপেই মাধ্যমিক অফিসার, সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ পত্র শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন। শিক্ষার্থীরা তাদের পরীক্ষার প্রবেশ পত্র হাতে পেয়ে খুশি হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রশংসা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর