মোখলেছুর রহমান ধনু
লক্ষীপুর প্রতিনিধি,
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে (এলইডি ফ্লাট) লাইটিং অব্যবস্হপনায় চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে হাজিরহাট খাদ্যগুদাম।
সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাদের দুর্বল মনিটরিং ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অবহেলাকে দায়ী করেছেন এলাকার সচেতন মহল। গুদামের সীমানা প্রাচীরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্হানে লাইটিং ব্যবস্হা না থাকায় ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা। পাশে বাজারের আলোতে এক পাশে আলো দেখালেও অন্যপাশে ু একেবারে নির্জন।
জানা যায়, হাজিরহাট খাদ্যগুদামে চারদিকে বাউন্ডারি ওয়াল রয়েছে। কিন্তু সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনের পশ্চিম দিকটি বরাবরই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এর আগে কয়েকটি ঘটনাও ঘটেছে। দক্ষিণ পাশটিও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, হাজিরহাট মাতাব্বরহাট ও হাজিরহাট – লুধুয়া সড়কে দুটি প্রধান গেট। কিন্তু এত বড় গুদামে নামমাত্র দুটি লাইট দেখা গেছে। তার মধ্যে একটি নিবু নিবু জ্বলছে।
স্হানীয়রা জানান, সরকারী এত বড় অফিসে রাত হলে বহিরাগতদের বেশ মজমা বসে। একেক জনের একেক মতলব। পাহারাদাররা থাকলেও বাতি না থাকলে তারা কি করবো? কখনো কখনো অফিসারদের বাণিজ্যিক নানা অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হয় অন্ধকারে।
তারা আরও জানান, কয়ক বছর আগেও গুদামে বাতি জ্বল জ্বল করছে। এখন লাইটিং সিস্টেম ভালো না থাকায় ভূতের বাগাড় মনে হচ্ছে।
পর্যাপ্ত আলো না থাকায় রাতের আঁধারে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি বা দুষ্কৃতকারীদের অনুপ্রবেশ এবং সরকারি চাল-গম চুরির বা লোপাটের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া
অন্ধকারের মধ্যে আনঅফিসিয়াল বা অস্থায়ীভাবে ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে বিদ্যুতের বিপরীতে (এলইডি ফ্লাট) লাইট ব্যবহার না করে মোমবাতি ব্যবহার করলে অগ্নিকাণ্ডের মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।
লাইটিং সিস্টেমে খাদ্যগুদামের ঝুঁকি কমাতে – অফিসের সৌন্দর্য বাড়াতে জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তাদের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ মানুষ।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মাহাবুব আলম চৌধুরী জানান, আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অফিস হলেও দীর্ঘদিন যাবত আলো নেই সঠিক। আমরা পর্যাপ্ত আলোর জন্য দ্রুত উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগতসহ যথাযথ ব্যবস্হা গ্রহণে কাজ করবো।