শিরোনাম
তাড়াশে আগুনে পুড়ে ছাই গরুর খাবারের খড়, থানায় জিডি কমলনগরে দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা না পেয়ে বসতবাড়ির গাছ কাটার অভিযোগ কমলনগর প্রেসক্লাবে এমপি বীথিকা বিনতে হোসাইনের ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও আইনজীবী থেকে তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ নেত্রকোণায় বিতর্ক কর্মশালা: যুক্তির মঞ্চে শাণিত হলো ১২০ শিক্ষার্থীর মেধা সোনারগাঁয়ে বাসের বক্সে ৯ কেজি গাঁজা, চালক-হেলপার আটক রামগতিতে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্তসহ গ্রেফতার ৩ কেরুজ চিনিকলে ফের লোকসান, পাঁচ বিভাগে মুনাফা সিরাজগঞ্জে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে চালক নিহত, হেলপার আহত নেত্রকোনায় বিনামূল্যের সার বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন

শ্রমিক-আনসারের নিরাপত্তার মাঝেও রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের সেগুন গাছ চুরি

প্রতিবেদকের নাম / ৩৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

 

রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে সরকারি বাগান থেকে মূল্যবান সেগুনগাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। গবেষণা কেন্দ্রে প্রায় ৩০ জন শ্রমিক ও ১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি কাছেই রয়েছে বিজিবির একটি চেকপোস্ট। এত কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও কীভাবে বড় বড় সেগুনগাছ কেটে সরিয়ে নেওয়া হলো, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বাগানের কয়েকটি বড় সেগুনগাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। তবে গাছ কাটার সময় দায়িত্বে থাকা শ্রমিক, আনসার সদস্য কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য কেউ বিষয়টি টের পাননি বলে দাবি করেছেন।

গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিষয়টি জানাজানি হলে গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখানে গাছ কাটার সত্যতা পাওয়া যায় এবং কাটা গাছের কিছু অংশ উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়।

ঘটনার পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে—এত সংখ্যক শ্রমিক ও আনসার সদস্যের উপস্থিতি এবং পাশেই বিজিবির চেকপোস্ট থাকা সত্ত্বেও কারা বাগানে প্রবেশ করে গাছ কেটে নিয়ে গেল। কীভাবে গাছ কেটে গাড়িতে তুলে নেওয়া হলো এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নজর এড়িয়ে এমন ঘটনা ঘটল—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, সকাল ৭টার দিকে বাগানের দিক থেকে একটি গাড়িতে গাছ নিয়ে যেতে দেখেছেন তারা। তাদের ভাষ্য, গাছ সরিয়ে নেওয়ার পরই এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হয়। তবে কারা ওই গাছ কেটেছে এবং তাদের সঙ্গে বাগানের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেগুনগাছ কাটা অবস্থায় দেখতে পান। তবে কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, কখন গাছ কাটা হয়েছে এবং কীভাবে তা বাগান থেকে বাইরে নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ রয়েছে, এর আগেও ২০২৩ সালে রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের গাছ কেটে বিক্রির ঘটনা নিয়ে আলোচনা ও অভিযোগ উঠেছিল। সরকারি বাগান থেকে বারবার গাছ কাটার অভিযোগ থাকলেও এসব ঘটনায় দাপ্তরিকভাবে কী ধরনের তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ফলে নতুন করে সেগুনগাছ কাটার ঘটনায় আগের ঘটনাগুলোও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এ বিষয়ে রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ এমদাদুল হক বলেন, তিনি বর্তমানে স্টেশনের বাইরে রয়েছেন। গাছ কাটার বিষয়টি সম্পর্কে আগে অবগত ছিলেন না। বিষয়টি জানতে পেরে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আর্কাইভস
01 August 2026

শ্রমিক-আনসারের নিরাপত্তার মাঝেও রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের সেগুন গাছ চুরি

www.dainikkagoj.com
01 August 2026

শ্রমিক-আনসারের নিরাপত্তার মাঝেও রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের সেগুন গাছ চুরি

www.dainikkagoj.com