মোঃ শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার শুনাসুর এলাকায় যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের শুনাসুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্রুতগতিতে চলা একটি যাত্রীবাহী বাস বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।
হাসপাতালে ভর্তি আহতদের মধ্যে রয়েছেন—অজ্ঞাতনামা (২৫), আব্দুল করিম (২৮), পিতা আব্দুল কালাম, গ্রাম চর বয়রা, সদর, গোপালগঞ্জ; হালিম শেখ (৫৮), পিতা মৃত সামাদ শেখ, বাগান উত্তরপাড়া; আজিজুর রহমান (৪৫), পিতা সেকেন্দার আলী, গ্রাম টুপুরিয়া; ফাতেমা (৪২), পিতা কালাম মোল্লা, গ্রাম টুপুরিয়া; রিফাত (২০), পিতা বন্দে আলী, গ্রাম নারিকেলবাড়ি; মামুন দারিয়া (২৪), পিতা দাউদ দারিয়া, গ্রাম মাঝবাড়ী; তাহসিনা (২০), পিতা আজিজুর রহমান, গ্রাম টুপুরিয়া, থানা কোটালীপাড়া; এবং রাব্বি (২৯), পিতা লোকমান ফরাজী, গ্রাম ছোট বয়রা, জেলা খুলনা। আহত রাব্বি প্রাইভেটকারটির চালক বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো সরিয়ে নিতে উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া যান চলাচলকে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।