নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো যমুনা বহুমুখী সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি)-চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন (সিআরবিসি) জেভির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকা সেতুর রেল লেনকে যান চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে।
বুধবার বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভির পক্ষে ওয়াং বেনচিয়ান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান ট্রাফিক চাপ মোকাবিলা এবং উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ আরও কার্যকর করতে যমুনা সেতুর আধুনিকায়ন অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, যমুনা সেতু জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রেল সংযোগ পৃথক হয়ে যাওয়ার পর সেতুর যে রেল লেনটি অব্যবহৃত ছিল, সেটিকে সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা হবে। এর ফলে সেতুর চলাচল পথ প্রায় ৩ দশমিক ৫ মিটার বৃদ্ধি পাবে।
প্রকল্পের আওতায় সেতুর ডেক সংস্কার ও প্রশস্তকরণের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মূল কাঠামোর সক্ষমতাও বৃদ্ধি করা হবে। এতে সেতুর ধারণক্ষমতা বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে আরও নিরাপদ ও কার্যকরভাবে সেবা প্রদান সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরও নির্বিঘ্ন হবে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, পরিবহন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে।