সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

গাইবান্ধায় বিয়ে বাড়িতে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে তর্ক, কনের জ্যাঠা নিহত

Reporter Name / ৭৮ Time View
Update : বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫

 

মোঃ মিঠু মিয়া

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি

 

গাইবান্ধা সদরের উত্তর গিদারী (হাজারীপাড়া) গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির জেরে কনের জ্যাঠা ছায়দার আলী (৫৫) নিহত হয়েছেন। গত ২৩ জুন ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয়রা জানান, ঘাগোয়া ইউনিয়নের উত্তর ঘাগোয়া (ঠেংগামারা) গ্রামের গোলজার মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়ার (২৩) সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় গিদারী ইউনিয়নের হাজারীপাড়া গ্রামের হায়দার আলীর মেয়ে শিখা আক্তারের। বিয়েতে ছেলে পক্ষের ৪০ জন আসার কথা থাকলেও আসে প্রায় ১২০ জন। এতে মাংস কম পড়ে এবং ছেলে পক্ষের মোছাঃ মনোয়ারা বেগম মাংসসহ ভাতের প্লেট কনের জ্যাঠা ছায়দার আলীর মুখে ছুঁড়ে মারেন। এ নিয়ে তর্ক শুরু হলে বর রাসেল মিয়া ও তার পিতা গোলজার মিয়াসহ কয়েকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ছায়দার আলীর ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়।

 

এ সময় কনের ভাই আল আমিন, আসিফ, মামা মিঠুসহ কয়েকজন বাধা দিতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয় এবং বিয়েবাড়ির চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ছায়দার আলীকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিলে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

 

পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় একটি কুচক্রী মহলের চাপে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দ্রুত দাফন করা হয়। পরে ময়নাতদন্ত ও অপরাধীদের বিচারের দাবিতে গাইবান্ধা সদর থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়। থানায় মামলা নিতে পুলিশের ‘তালবাহানা’ চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

এ বিষয়ে সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, লাশের ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব নয় এবং যথাযথ আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর