বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লংগদুতে নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন দূর্গম ভোটকেন্দ্র সমূহ পরিদর্শনে ইউএনও  মোহনগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন রায়গঞ্জে ট্রাক চাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু  খাগড়াছড়িতে ইয়াকুব আলী চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টা নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটির খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকদের নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ এনসিপি নেতার আবেদনে সিংড়া পৌরসভা পেল ৪০ লক্ষ টাকার বরাদ্দ হাটিকুমরুল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন: সভাপতি জাকির, সম্পাদক মোর্শেদ সিংড়ার গ্রাম-গঞ্জে কম্বল বিতরন করছেন ইউএনও  বারবার একই ব্যক্তির প্রশিক্ষণ, বঞ্চিত অভিজ্ঞ সাংবাদিকরা : বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন হাতীবান্ধা সীমান্তে বিজিবি’র নতুন বিওপি উদ্বোধন

কমলনগরে অসঙ্গতি রেখে কৃষকের কাছ থেকে আমন ধান সংগ্রহের অভিযোগ

Reporter Name / ৪২ Time View
Update : বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

মোখলেছুর রহমান ধনু

রামগতি -কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে চলতি মৌসুমে কৃষকের তালিকায় অসঙ্গতি রেখে আমন ধান সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। আর এমন অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উপজেলা কয়েক জন উপসহকারীদের বিরুদ্ধে। তালিকা অসঙ্গতি রেখে খাদ্যবিভাগের কাছে কৃষকের নামে তালিকা জমা দেয়া হয়। এসব তালিকায় প্রকৃত কৃষকের নামের হদিছ নেই। বাদ পড়ার আশঙ্কায় প্রকৃত কৃষকদের মাঝে নানা সমালোচনা সৃষ্টি হয়।

সূত্রে জানা যায়, কমলনগর খাদ্য বিভাগে চলতি বছরে প্রায় ১৭০ মে.টন ধান সংগ্রহ করার কথা। শুরুতেই ধানসংগ্রহতে বিভিন্ন অনিয়ম দেখা গেছে। কৃষি উপসহকারীরা একটি সুবিধা দেখিয়ে কর্মকর্তার কাছ থেকে ফরওয়ার্ডিং করে নেয়। তারা আবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে গোপন আতাঁত করে প্রস্তুতকৃত তালিকা খাদ্য বিভাগে জমা দেয়। ফলে প্রকৃত কৃষকরা হতাশায় থাকেন। এতে উপসহকারী কৃষি ও জনপ্রতিনিধিরা মিলেমিশে লুটপাট চালাচ্ছেন। এদিকে কৃষকদের অভিযোগ খাদ্যবিভাগের কর্মচারীরা প্রতিমণ ধান থেকে অতিরিক্ত আরো ৫-৬ কেজি বাড়তি নিচ্ছেন। ফলে প্রকৃত কৃষকরা মুখ ফিরিয়ে নিচেছন। উপসহকারী কৃষি ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে সরকারী বিধি ভঙ্গ করে খাদ্যগুদামে ধান দেয়ার অভিযোগ অতি পুরনো। উপসহকারীরা নিরপক্ষ তালিকা না করে নিজেরাই সরকারী ধান সংগ্রহ বিধি ভঙ্গ করে কৃষকের নাম ভেঙ্গে তারা ধান দিচ্ছেন। যাহা ধান থেকে চাল সংগ্রহে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে। ফলে সরকারের কাঙ্খিত আমন ধান সংগ্রহে অপুরনীয় ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যাহা পরবর্তীতে ভোক্তারা পঁচা ও দুর্গন্ধযুক্ত চাল পাচ্ছে। এদিকে খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাদের তদারকি নিয়েও কৃষকদের মনে নানা প্রশ্ন তৈরী হয়। জানা গেছে, খাদ্যগুদামের কর্মচারীরা কাবিখা, ভিজিডি, টিসিবি ও রেশম কার্ডের ডিলার থেকে আর্থিকসহ নানা সুবিধা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর