শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত,সিরাজগঞ্জ সোলার পার্কের বহুমুখী সাফল্য ও সম্ভাবনা তাড়াশে মেয়র পদে সোলায়মান হোসেন সিহাবকে দেখতে চায় সর্বস্তরের জনগণ তাড়াশ পৌর শহরে অবকাঠামো উন্নয়নে বেহাল চিত্র, বাড়ছে জনদুর্ভোগ জলাশয় ইজারা নিয়ে রণক্ষেত্র রায়গঞ্জ,সংঘর্ষে দুই বিএনপি কর্মী নিহত, আহত ১৫ কাশিয়ানীতে মাদকবিরোধী অভিযান: ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার, নিয়মিত মামলা দায়ের পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে জাতীয়তাবাদী তৃণমুল দলের ফুলের শুভেচ্ছা লংগদু বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  ডোমারে মুড়ির কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা

কীটনাশকের বিপদ, বিকল্প পথের সন্ধান নিয়ে আলোচনা

Reporter Name / ১০৭ Time View
Update : বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫

মো: ইমাম হোসেন

হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি, নেত্রকোনা- সুনামগঞ্জ

নেত্রকোনায় ‘মাঠ থেকে থালায় কীটনাশকের বিকল্প’ শীর্ষক এক গ্রাম আলোচনা ও প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে বায়ু–পানি–মাটি থেকে শুরু করে প্রাণিকুল পর্যন্ত মারাত্মক দূষণের মধ্যে পড়েছে—এমন বাস্তবতায় বিকল্প কীটনাশক ব্যবহার ও সচেতনতা সৃষ্টিতে এই আলোচনা সভা করা হয়।

আজ বুধবার সকালে জেলা সদরের কাইলাটি গ্রামে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

গ্রাম প্রচারণায় অংশ নেন পরিবেশ অধিদপ্তর নেত্রকোনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মতিন, কাইলাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা গ্রিন কোয়ালিশন কমিটির সহসভাপতি নাজমুল হক, গ্রিন কোয়ালিশনের সহ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মির্জা হৃদয় সাগর, স্থপতি রোদৌশী চক্রবর্তী, বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. অহিদুর রহমান, কৃষক সংগঠনের সদস্যসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

এতে “রাসায়নিক কৃষিকে না বলি”, “কীটনাশক ব্যবহারে সচেতন হই”, “জৈবকৃষি চর্চা করি”, “বিপজ্জনক কীটনাশক ধরিত্রীকে বন্ধ্যা করছে”—এমন নানা সতর্কবার্তা লেখা প্লেকার্ড–ব্যানার নিয়ে গ্রামজুড়ে প্রচারণা চালানো হয়। পরে কাইলাটি কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা শিখনকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরেন বক্তারা।

প্রধান অতিথি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন,

“ধান, সবজি, মাছ চাষ—সবকিছুতেই এখন অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার হচ্ছে। এর ফলে পরিবেশ, প্রকৃতি, মাটি, পানি ও জনজীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যেতে হলে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে টেকসই কৃষিতে যেতে হবে।”

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হক বলেন,

“অতিরিক্ত কীটনাশকে মাটি–পানি–বায়ু দূষিত হচ্ছে, প্রাণবৈচিত্র্য কমছে, আর মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে প্রাণঘাতী নানা রোগে। এ বিপদ থেকে বাঁচতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া বিকল্প নেই।”

আলোচনায় কৃষকেরা নিজ ঘরে থাকা বিষনাশক মানববন্ধনের মঞ্চে এনে স্বেচ্ছায় পুড়িয়ে প্রতীকী অঙ্গীকার করেন—ক্রমে বিষের ব্যবহার কমিয়ে আনার। কর্মসূচির অংশ হিসেবে কৃষকদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে নবান্ন উপলক্ষে পিঠা পরিবেশন করেন শিখনকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক যুব কৃষক এনামুল হক। পুরো সভা পরিচালনা করেন বারসিকের কর্মসূচি কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার লিটা ও রোখসানা রুমি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর