রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলাকে কেন্দ্র করে ভিন্নধর্মী দাবি সামনে এসেছে। মামলার আসামি তারেক হাসানের পরিবার অভিযোগ করেছে, পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্ককে ধর্ষণ হিসেবে উপস্থাপন করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলা করা হয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে তারেকের পরিবারের সদস্যরা বলেন, তারেক হাসান (২১) ও বৈশাখী আক্তার শিমু (১৯) দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। উভয়েই রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের বাসিন্দা। পরিবারের দাবি, পারস্পরিক সম্মতিতেই তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ে না হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণের মামলা করা হয়েছে।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই বছর আগে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের বিষয়টি দুই পরিবার জানতে পারে। এরপরও তাদের যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। তারেকের পরিবারের দাবি, খামারবাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে দুজনকে একসঙ্গে দেখা গেছে এবং এসব আলামত তদন্তে বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
তারেকের বাবা নিজাম উদ্দিন বলেন, বিষয়টি জানার পর তারা বৈশাখীর পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন। প্রথমদিকে ইতিবাচক সাড়া মিললেও পরে তা আর এগোয়নি। পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় বিরোধ ও কিছু ব্যক্তির প্ররোচনায় এ মামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বৈশাখীর বাবা আবদুল বাছেক প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তার মেয়ের সঙ্গে তারেকের কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রামগতি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান জানান, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজসহ সব ধরনের আলামত ও তথ্য যাচাই-বাছাই করে তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।