গরু -ছাগলের অভয়ারণ্যে পরিনত লংগদু বিদ্যুৎ সাব ষ্টেশন
মোঃ এরশাদ আলী, লংগদু প্রতিনিধি :
রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলা বিদ্যুৎ বিভাগের আবাসিক এলাকাটি যেন নিয়মিত গরু-ছাগলের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। রয়েছে নানাবিধ সমস্যা।
২৮ জুলাই (সোমবার) সকালে লংগদু উপজেলা বিদ্যুৎ অফিস গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা বিদ্যুৎ বিভাগের সংরক্ষিত এলাকায় যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি খানা-খদ্দের, গোঁ-পায়খানা ও কাঁদায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে। বহুকষ্টে প্রবেশের পর দেখা যায় পুরো এলাকাটি যেন গরু-ছাগলের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। জায়গায় জায়গায় গোঁ-পায়খানা আর কাঁদায় পরিপূর্ণ। এরই মধ্যে দেখা গেল স্থানীয় আনোয়ার হোসেন নামের একব্যক্তি ৬-৭ টি গরু বিদ্যুৎ বিভাগের সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করিয়ে চলে যেতে।
বিষয়টা জানতে স্থানীয় একজনকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, গরুর গুলো স্থানীয় আমজাদ, শাহাদাৎ, আনোয়ার ও তাদের ভগ্নিপতি মাহবুবুর রহমানের। তারা প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এখানেই গরু-ছাগল বিচরণ করে থাকেন। বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন এসে তাড়িয়ে দিলে তারা আবারও প্রবেশ করে।
বিদ্যুৎ বিভাগের স্টাফ জুয়েল জানায়, বিদ্যুৎ অফিসে আসা যাওয়া করা অনেক কষ্ট হয়, লংগদু বাজারে গাড়ি রেখে পায়ে হেঁটে বহুকষ্টে সাব ষ্টেশনে আসতে রাত-বিরাতে অনেক কষ্ট, তাছাড়া উক্ত এলাকায় স্থানীয় আমজাদ, আনোয়ার, শাহাদাত ও মাহবুব নামের ব্যক্তিগণ গরু-ছাগল চড়ানোই নানাভাবে সমস্যা তৈরি করছে, বার বার বলার পরেও তারা রাস্তা বন্ধ করে গরু ছাগল বেঁধে রাখে, কিছু বললে উল্টো লাঠি সোঁটা নিয়ে তেড়ে আসে। যেভাবে গরু ছাগল বিচরণ করে এতে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করেন এই বিদ্যুৎ স্টাফ।
সাব ষ্টেশনে একজন কর্মকর্তা থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখা মিলেনি, খোঁজ নিয়ে জানা যায় তিনি রাঙ্গামাটি জেলা অফিসে গিয়েছেন। তার মুটোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
বিদ্যুৎ বিভাগের স্টাফদের সাথে কথা বলে জানা যায়, লংগদুতে জনবলেরও অভাব রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে লাইনম্যান নাই এই উপজেলায়। ফলে বিদ্যুৎ বিভাগের উপযুক্ত সেবা বঞ্চিত হচ্ছে এলাকার সাধারণ গ্রাহক শ্রেণি।








