সাজাপ্রাপ্ত আসামী সাইফুল সওদাগর কর্তৃক আইন বহির্ভূত সংবাদ সম্মেলন করার প্রতিবাদ
মোঃ এরশাদ আলী ,লংগদু (রাঙ্গামাটি)
গত ২২.০৬.২০২৫ইং তারিখে “লংগদুতে এ্যাডভোকেট দম্পতির চেক জালিয়াতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন” শিরোনামে প্রচারিত সংবাদে আমরা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সাথে লক্ষ্য করছি যে, দ্যা নোগোসিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট অ্যাক্ট দণ্ডবিধি এর ১৩৮ ধারায় (চেক ডিজঅনার) মামলায় বিজ্ঞ আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত ও দণ্ডিত আসামী সাইফুল সওদাগর সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে মামলার বিষয়ে বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা ও বিজ্ঞ আদালতের রায়ের পরিপন্থী বক্তব্য প্রদান করে নিজের অপরাধ আড়াল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। অতপর আসামী সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করে নেন যে, এ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলামের মায়ের নিকট হতে লাখ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করে পাওনাদির বিপরীতে আমাদের একাধিক চেক প্রদান করেছেন। যাহা তার স্ব-বিরোধী বক্তব্যও বটে।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে আসামী সাইফুল ইসলাম সওদাগর জোর গলায় আরো স্বীকার করেন যে, মামলার লিগ্যাল নোটিস প্রাপ্ত হন, নোটিস নিজেই গ্রহণ করেন, মামলা হতে নিজে জামিনও নেন, দীর্ঘ বিচার কার্যক্রমে স্বয়ং নিজে উপস্থিত থেকে নিয়োজিত আইনজীবীর মারফত বিচার মোকাবেলাও করেন এবং বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের যাবতীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ, জবানবন্দি জেরাসহ উপস্থাপিত ডকুমেন্ট, চেক, সংশ্লিষ্ট দালিলিক প্রমাণাদি পর্যালোচনার পূর্বক দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে আসামী মোঃ সাইফুল সওদাগরকে প্রচালিত রায়ে অর্থদণ্ড ও ১ (এক) বছর এবং অন্য মামলায় ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ড রায় ঘোষণা করেন।
অতঃপর উক্ত রায়ের অনুবলে আসামী বিধি মোতাবেক অর্থদণ্ডের নগদ টাকা জমা প্রদানে জামিনে এসে গত ২২ জুন /২০২৫ খ্রিঃ স্থানীয় ঠিকানায় বসে নিজের বসের কতেক লোকজন নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও সৃজিত গল্প সৃষ্টি করে সংবাদ সম্মেলনের নামে আমি ও আমার পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রনোদিত কুৎসা রটনা ও মানহানির অপচেষ্টায় লিপ্ত হন। যাহা অত্যন্ত দুঃখজনক, ভিত্তিহীন ও বিহীতযোগ্য অপরাধ বটে। এছাড়া, জনৈক
সরোয়ার হোসেন নামের কথিত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর যে উদ্ধৃতি দিয়েছেন তা সরাসরি অসত্য।
সর্বসাকুল্যে বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে বিজ্ঞ আদালত অবমাননা আইন ২০১৩ এর ৪ ও ১১ অনুযায়ী আইন ও ন্যায়-বিচারের পরিপন্থী। কারণ দণ্ডিত আসামীর এমন কর্মকাণ্ড আদালতের রায় আদেশের অবমাননা ও বিচারিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা মাত্র। এটি “Contempt of court” তথা আদালত অবমাননার শামিল বলে প্রতিবাদ করেন এডভোকেট দম্পতি এ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম অভি।








