রামগতিতে টিআই ইস্রাফিলের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
মোখলেছুর রহমান ধনু
রামগতি- কমলনগর (লক্ষীপুর) প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) ইস্রাফিল টাকার বিনিময়ে বৈধতা দেয়াই যেন তার নীতি। কখনও নিজেরা আবার কখনও সোর্স দিয়ে অলিগলি ঘুরিয়ে মোটরসাইকেল, সিএনজি জব্দ করা, রেকার ব্যবহার না করেও কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখে, রেকার বিল আদায় করে ছেড়ে দেয়াই যেন তাদের কাজ! রশিদ না দিয়ে টাকা নেয়ার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। রামগতিতেই এমন অনিয়ম ঘটছে বলে জানান সিএনজি এবং মোটরসাইকেল চালক’রা।
সিএনজি চালক মো:রায়হান বলেন, আমার সিএনজি নিয়ে যায় পুলিশ। অনেক অনুনয়-বিনয় করার পর আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করেন তারা। টাকা দেয়ার পর গাড়িটি ছেড়ে দেন
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর( টিআই) ইস্রাফিল।
সিএনজি চালক মো:ওমর ফারুক বলেন আমাদের সাথে উনি সব সময় দুর্ব্যবহার করেন এবং মামলার ভয় দেখিয়ে আমাদের থেকে টাকা নেন।
নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক’ সিএনজি চালক বলেন’ উনি এভাবে যদি আমাদের থেকে প্রতিনিয়ত টাকা নিয়ে থাকেন তাহলে আমরা কিভাবে চলবো? কারন আমাদের ইনকাম কম, পরিবারের খরচ চালাতে কষ্ট হয়। এভাবে চলতে থাকলে আমরা সিএনজি ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যেতে হবে, এছাড়া আমাদের আর কোন উপায় নেই।
স্লিপ না দিয়েও টাকা আদায়ের অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রামগতি উপজেলার নিত্যদিনের রুটিন এটি!
অনুসন্ধানে ধরা পড়ে পুলিশের সঙ্গে বসে থাকা এক ব্যক্তি, যিনি কাজ করেন সোর্স হিসেবে।
উক্ত বিষয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) ইস্রাফিল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন আমি আপনাদের চাকরি করিনা, আমি কি করব, সেটা আমার ব্যাপার।
তবে পুলিশের ঊর্ধ্বতনরা বলছেন, সিএনজি রেকার বিল করার সুযোগ নেই।
টিআই অ্যাডমিন প্রশান্ত বাবু বলেন’ আমার কাছে তো কেউ অভিযোগ করেনি, ঠিক আছে বিষয়টি আমি দেখব।
এদিকে, অসৎ কর্মকর্তাদের চিহ্ণিত করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন, এ অবস্থান থেকে সরে না আসলে পরিণাম ভোগ করতে হবে বাহিনীটিকে।








