কমলনগরে তেল সিন্ডিকেট ও চোরাচালান রোধে ৯ ‘ট্যাগ অফিসার’
মোখলেছুর রহমান ধনু
রামগতি কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলায় জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট ও চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ফিলিং স্টেশন ও ডিলার পয়েন্টগুলোতে তেলের মজুদ ও বিক্রয় কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির জন্য ৯ জন সরকারি কর্মকর্তাকে ‘ট্যাগ অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) কমলনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: রাহাত উজ জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্দেশনা ও বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য পৃথক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে:
চর কালকিনি: টিপু সুলতান (সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার)সাহেবেরহাট: মো: আবদুল আজিজ (উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার)চর লরেঞ্চ: মোহাম্মদ আলাউদ্দিন (সহকারী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার)চর মাটিন: মোরশেদ আলম (উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা)চর ফলকন: দেলোয়ার হোসেন (উপজেলা বন কর্মকর্তা)পাটারীর হাট: তুর্য্য সাহা (উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা)হাজিরহাট: ইকতারুল ইসলাম (উপজেলা কৃষি অফিসার)চর কাদিরা: মোহাম্মদ আজমল হোসাইন (উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা)তোরাবগঞ্জ: মো: ওমর ফারুক (ব্যবস্থাপক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক)
নিয়োগকৃত কর্মকর্তারা স্ব-স্ব এলাকায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নিশ্চিত করবেন:
নির্ধারিত ফিলিং স্টেশনে তেলের প্রকৃত মজুদের সঠিকতা নিয়মিত পরীক্ষা করা।
তেল বিক্রির ক্ষেত্রে কোনো সিন্ডিকেট বা কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে কিনা তা দেখা।
ড্রাম বা বড় পাত্রে করে অবৈধভাবে তেল পাচার বা সীমান্ত দিয়ে পাচারের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি-কে অবহিত করা।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তেলের বাজারে যেকোনো ধরণের অনিয়ম পেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।








