ধামইরহাটে ধান মাড়াই যন্ত্র নির্মাণে সফলতা পাচ্ছে জাপান ইঞ্জিনিয়ারিং
মোঃ উজ্জল হোসেন, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার আমাইতাড়া বাজারে স্থানীয় উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠিত জাপান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ এখন এক অনন্য নাম। বেকার জীবনের অবসান ঘটিয়ে ২০১১ সালে শুরু করা এই প্রতিষ্ঠান আজ দেশের বিভিন্ন জেলায় পরিচিত হয়ে উঠেছে।
প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোক্তা জানালেন, শুরুতে ক্ষুদ্র পরিসরে মেশিন তৈরি শুরু করলেও বর্তমানে ধান, গম, কালাই, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল মাড়াই মেশিন ছাড়াও পাওয়ার ট্রলি, ভটভটি ও অন্যান্য কৃষি ও পরিবহন যন্ত্রপাতি তৈরি করা হচ্ছে। উন্নতমানের লোহা, শিট, চাকা, হাইড্রোলিক ব্রেক, স্টিয়ারিং, হুইলবক্স সংযোজনের কারণে এসব মেশিনের স্থায়িত্ব দীর্ঘদিন টিকে থাকে। ফলে ক্রেতাদের কাছে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
মেশিন ব্যবহারকারীরা জানান, অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিন ব্যবহারের ফলে আধা ঘণ্টায় প্রায় ১ বিঘা জমির ধান মাড়াই সম্ভব হয়। এতে যেমন শ্রমিক খরচ কমে, তেমনি সময়ও বাঁচে। ফলে মেশিন মালিক ও কৃষক উভয়েই লাভবান হচ্ছেন।
বর্তমানে এই কারখানায় বেশ কয়েকজন শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কৃষক সাকিল হোসেন ও মিলন ইসলাম বলেন, “জাপান ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তৈরি মেশিনগুলো মজবুত ও টেকসই। এর স্থায়িত্ব প্রায় যুগেরও বেশি।”
শুরু থেকেই ক্রেতাদের সার্ভিসিং সুবিধাও দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে এত সাফল্য সত্ত্বেও এখনও শিল্প হিসেবে কোনো স্বীকৃতি মেলেনি। এজন্য জাপান ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য স্থানীয় উদ্যোক্তারা সরকারি স্বীকৃতি ও সহায়তা কামনা করেছেন।
এই সফলতা কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের নয়, বরং বেকার যুবকদের জন্য অনুপ্রেরণারও উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।








