সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

নাগেশ্বরীতে ৮ বছরের শিশুকে বলাৎকার শেষে হত্যা মামলায় গ্রেফতার ৪,মূল আসামি মমিনুল পলাতক! 

Reporter Name / ১৩২ Time View
Update : রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

 

নূর-ই-আলম সিদ্দিক নাগেশ্বরী, (কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি :

নাগেশ্বরীতে ল্যাট্রিনের সেপটি ট্যাংকি থেকে শিশুর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ। তবে এখনো পলাতক রয়েছে মামলার মূল আসামি মমিনুল।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন মমিনুলের মা মহসেনা বেগম, বোন ফাহিমা খাতুন, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মনজু বেগম।

জানা যায়- উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সীট মালিয়ানী গ্রামে শিশু হত্যার এ ঘটনা ঘটে। হত্যা কান্ডের শিকার নিহত মুরছালিন (৮) স্থানীয় মশিউর রহমানের ছেলে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর)  রাত ৮টার দিকে প্রতিবেশী মমিনুলের বাবা ফরিদ উদ্দিনের বাড়ির ল্যাট্রিনের সেপটি ট্যাংকি থেকে মুরছালিনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বড় ভাইয়ের বিয়ের আলোচনা চলাকালীন সময়ে প্রতিবেশী মমিনুল ইসলাম মোবাইল দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে বলাৎকার করে এবং শ্বাসরোধে হত্যা করে।

এর আগে (৫ সেপ্টেম্বর) শিশু মুরছালিন নিখোঁজ হলে পরিবারের ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয় মমিনুল ও তার পরিবারের উপর। ওইদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশুকে না পেয়ে মুরছালিনের পরিবার খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। পরে এর এক পর্যায়ে মমিনুলের বাড়ি গিয়ে শিশুর খোঁজ করলে তারা তা অস্বীকার করে এবং  বিষয়টি জানাজানি হলে মমিনুলের পরিবার আত্মগোপন করে। বিষয়টি আরও সন্দেহ হলে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মমিনুলের বাবা ফরিদ উদ্দিনে বাড়ির ল্যাট্রিনের সেফটি ট্যাংকে মুরছালিনের মরদেহ দেখতে পায় স্বজনরা।

পরে খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানতে পেরে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন সেফটি ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তবে এর আগেই এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মমিনুলের বাড়ি ও নানার বাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম রেজা জানান, নিহত শিশুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় ইতিমধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল আসামি মমিনুল ইসলামসহ তার বাবা ফরিদ উদ্দিন, ভায়রা আব্দুল্লাহ ও শ্যালক মাসুম মিয়া পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর