বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লংগদুতে নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন দূর্গম ভোটকেন্দ্র সমূহ পরিদর্শনে ইউএনও  মোহনগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন রায়গঞ্জে ট্রাক চাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু  খাগড়াছড়িতে ইয়াকুব আলী চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টা নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটির খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকদের নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ এনসিপি নেতার আবেদনে সিংড়া পৌরসভা পেল ৪০ লক্ষ টাকার বরাদ্দ হাটিকুমরুল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন: সভাপতি জাকির, সম্পাদক মোর্শেদ সিংড়ার গ্রাম-গঞ্জে কম্বল বিতরন করছেন ইউএনও  বারবার একই ব্যক্তির প্রশিক্ষণ, বঞ্চিত অভিজ্ঞ সাংবাদিকরা : বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন হাতীবান্ধা সীমান্তে বিজিবি’র নতুন বিওপি উদ্বোধন

নাগেশ্বরীতে ৮ বছরের শিশুকে বলাৎকার শেষে হত্যা মামলায় গ্রেফতার ৪,মূল আসামি মমিনুল পলাতক! 

Reporter Name / ১১০ Time View
Update : রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

 

নূর-ই-আলম সিদ্দিক নাগেশ্বরী, (কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি :

নাগেশ্বরীতে ল্যাট্রিনের সেপটি ট্যাংকি থেকে শিশুর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ। তবে এখনো পলাতক রয়েছে মামলার মূল আসামি মমিনুল।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন মমিনুলের মা মহসেনা বেগম, বোন ফাহিমা খাতুন, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মনজু বেগম।

জানা যায়- উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সীট মালিয়ানী গ্রামে শিশু হত্যার এ ঘটনা ঘটে। হত্যা কান্ডের শিকার নিহত মুরছালিন (৮) স্থানীয় মশিউর রহমানের ছেলে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর)  রাত ৮টার দিকে প্রতিবেশী মমিনুলের বাবা ফরিদ উদ্দিনের বাড়ির ল্যাট্রিনের সেপটি ট্যাংকি থেকে মুরছালিনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বড় ভাইয়ের বিয়ের আলোচনা চলাকালীন সময়ে প্রতিবেশী মমিনুল ইসলাম মোবাইল দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে বলাৎকার করে এবং শ্বাসরোধে হত্যা করে।

এর আগে (৫ সেপ্টেম্বর) শিশু মুরছালিন নিখোঁজ হলে পরিবারের ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয় মমিনুল ও তার পরিবারের উপর। ওইদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশুকে না পেয়ে মুরছালিনের পরিবার খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। পরে এর এক পর্যায়ে মমিনুলের বাড়ি গিয়ে শিশুর খোঁজ করলে তারা তা অস্বীকার করে এবং  বিষয়টি জানাজানি হলে মমিনুলের পরিবার আত্মগোপন করে। বিষয়টি আরও সন্দেহ হলে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মমিনুলের বাবা ফরিদ উদ্দিনে বাড়ির ল্যাট্রিনের সেফটি ট্যাংকে মুরছালিনের মরদেহ দেখতে পায় স্বজনরা।

পরে খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানতে পেরে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন সেফটি ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তবে এর আগেই এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মমিনুলের বাড়ি ও নানার বাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম রেজা জানান, নিহত শিশুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় ইতিমধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল আসামি মমিনুল ইসলামসহ তার বাবা ফরিদ উদ্দিন, ভায়রা আব্দুল্লাহ ও শ্যালক মাসুম মিয়া পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর