বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লংগদুতে নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন দূর্গম ভোটকেন্দ্র সমূহ পরিদর্শনে ইউএনও  মোহনগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন রায়গঞ্জে ট্রাক চাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু  খাগড়াছড়িতে ইয়াকুব আলী চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টা নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটির খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকদের নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ এনসিপি নেতার আবেদনে সিংড়া পৌরসভা পেল ৪০ লক্ষ টাকার বরাদ্দ হাটিকুমরুল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন: সভাপতি জাকির, সম্পাদক মোর্শেদ সিংড়ার গ্রাম-গঞ্জে কম্বল বিতরন করছেন ইউএনও  বারবার একই ব্যক্তির প্রশিক্ষণ, বঞ্চিত অভিজ্ঞ সাংবাদিকরা : বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন হাতীবান্ধা সীমান্তে বিজিবি’র নতুন বিওপি উদ্বোধন

জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে মেরামত হচ্ছে হামলায় ভাংচুর হওয়া ঘর-বাড়ি

Reporter Name / ১২১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫

 

শরিফা বেগম শিউলী

স্টাফ রিপোর্টার

রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলায় শাতিম নামের এক কিশোরের ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এরই জেরে স্থানীয় একটি হিন্দুপাড়ায় হামলার ঘটনাও ঘটে। তবে ঘটনার পরপরই উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঘরবাড়ি মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাতিম নামের ওই কিশোরের পোস্টকে কেন্দ্র করে একটি চক্র হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালায়। তবে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে। জেলা প্রশাসনের সহায়তায় হিন্দুপাড়ার ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলোর মেরামত কাজ ইতোমধ্যেই শেষ পর্যায়ে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, “প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উস্কানি ছিল। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো। কেউ দেশ ছাড়েনি, এলাকাও ছাড়েনি। এ ধরণের গুজবে কান না দেয়ার অনুরোধ করছি।”

ঘটনার পর ভারতের কিছু অনলাইন মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয় যে, এই ঘটনার জেরে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। রংপুর জেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা এই খবরকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করেছেন।

একজন স্থানীয় শিক্ষক ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাসিন্দা বলেন, “আমরা কোথাও যাইনি। প্রশাসন আমাদের পাশে আছে, মানুষজন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। ভারতের মিডিয়ায় যা ছড়ানো হয়েছে, তা গুজব ছাড়া আর কিছু নয়।”

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রংপুরের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। গঙ্গাচড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছে।

রংপুর জেলা প্রশাসক বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে আমাদের ঐতিহ্যকে ম্লান করা যাবে না। আমরা প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।##


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর