সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

দীঘিনালা মাইনি নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন যেন থামছেই না

Reporter Name / ২১৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

 

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

 

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলার ১ নং মেরুং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বেতছড়ি পূর্বপাড়া এলাকায় মাইনি নদীর পার থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যমতে, এ কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুল গফুর ও হাশেম মিয়া।

 

জানা যায়, আব্দুল গফুর নিজ বাড়ি নির্মাণের উদ্দেশ্যে প্রথমে লেবার দিয়ে নদীর পাড় থেকে বালু উত্তোলন শুরু করেন। পরে উত্তোলিত বালু টলি গাড়িতে করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। একইভাবে হাশেম মিয়া নামের অপর এক বিএনপি নেতা তার বাড়ির নির্মাণ কাজে ব্যবহার করার জন্য অবৈধভাবে দুই টলি বালু নিয়ে যান।

 

তবে শুধু নিজেদের প্রয়োজনে সীমাবদ্ধ না থেকে, তারা আশেপাশের এলাকাগুলোতেও বালু বিক্রি শুরু করেছেন। প্রতি টলি গাড়ি বালু ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বালু বিক্রির টাকা লেনদেন ও হিসাব সংরক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন খোরশেদ নামের একজন বিএনপি কর্মী। তিনিই মূলত বালু ক্রেতাদের কাছ থেকে অর্ডার গ্রহণ করেন এবং সরবরাহের সমন্বয় করেন।

 

বালু উত্তোলনের বিষয়টি যেন প্রশাসনের নজরে না আসে, সে জন্য কৌশল হিসেবে মাইনি নদী থেকে উত্তোলিত বালু বেতছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে মজুদ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী টলি গাড়িতে বোঝাই করে তা ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা হয়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে দিনের পর দিন চলা এই অবৈধ বালু ব্যবসা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের ঝুঁকি বেড়েছে। একইসাথে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় উদ্বিগ্ন সচেতন এলাকাবাসী।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলতে না চাইলেও, এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর