বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লংগদুতে নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন দূর্গম ভোটকেন্দ্র সমূহ পরিদর্শনে ইউএনও  মোহনগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন রায়গঞ্জে ট্রাক চাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু  খাগড়াছড়িতে ইয়াকুব আলী চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টা নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটির খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকদের নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ এনসিপি নেতার আবেদনে সিংড়া পৌরসভা পেল ৪০ লক্ষ টাকার বরাদ্দ হাটিকুমরুল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন: সভাপতি জাকির, সম্পাদক মোর্শেদ সিংড়ার গ্রাম-গঞ্জে কম্বল বিতরন করছেন ইউএনও  বারবার একই ব্যক্তির প্রশিক্ষণ, বঞ্চিত অভিজ্ঞ সাংবাদিকরা : বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন হাতীবান্ধা সীমান্তে বিজিবি’র নতুন বিওপি উদ্বোধন

দীঘিনালা মাইনি নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন যেন থামছেই না

Reporter Name / ১৯৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

 

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

 

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলার ১ নং মেরুং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বেতছড়ি পূর্বপাড়া এলাকায় মাইনি নদীর পার থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যমতে, এ কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুল গফুর ও হাশেম মিয়া।

 

জানা যায়, আব্দুল গফুর নিজ বাড়ি নির্মাণের উদ্দেশ্যে প্রথমে লেবার দিয়ে নদীর পাড় থেকে বালু উত্তোলন শুরু করেন। পরে উত্তোলিত বালু টলি গাড়িতে করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। একইভাবে হাশেম মিয়া নামের অপর এক বিএনপি নেতা তার বাড়ির নির্মাণ কাজে ব্যবহার করার জন্য অবৈধভাবে দুই টলি বালু নিয়ে যান।

 

তবে শুধু নিজেদের প্রয়োজনে সীমাবদ্ধ না থেকে, তারা আশেপাশের এলাকাগুলোতেও বালু বিক্রি শুরু করেছেন। প্রতি টলি গাড়ি বালু ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বালু বিক্রির টাকা লেনদেন ও হিসাব সংরক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন খোরশেদ নামের একজন বিএনপি কর্মী। তিনিই মূলত বালু ক্রেতাদের কাছ থেকে অর্ডার গ্রহণ করেন এবং সরবরাহের সমন্বয় করেন।

 

বালু উত্তোলনের বিষয়টি যেন প্রশাসনের নজরে না আসে, সে জন্য কৌশল হিসেবে মাইনি নদী থেকে উত্তোলিত বালু বেতছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে মজুদ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী টলি গাড়িতে বোঝাই করে তা ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা হয়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে দিনের পর দিন চলা এই অবৈধ বালু ব্যবসা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের ঝুঁকি বেড়েছে। একইসাথে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় উদ্বিগ্ন সচেতন এলাকাবাসী।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলতে না চাইলেও, এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর