বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ইয়ারিংছড়ি সেনামৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন শিক্ষার্থীদর বরণ অনুষ্ঠিত  গোপালগঞ্জে পাসপোর্ট সেবায় ধস: লোডশেডিংয়ে থমকে কাজ, ভোগান্তিতে সেবাপ্রত্যাশী লালমোহনে স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে নাগরিক সংবর্ধনা খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সিন্দুকছড়ি জোন আয়োজনে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও মেডিকেল চক্ষু ক্যাম্পেইন  তাড়াশে ধান ক্ষেত থেকে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার গোপালগঞ্জে টেকনিক্যাল শিক্ষার্থীদের জন্য চাকরি মেলা ও সেমিনার প্রতিপক্ষের হামলায় বসতঘর হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস,মামলা করে নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার টুঙ্গিপাড়া প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি আফজাল ও সম্পাদক মুকুল রামগতি- কমলনগরে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা: মেঘনা পাড়ের ‘জলকন্যাদের’ ঘরে নেই চুলার আগুন ধামইরহাটে হজ যাত্রা  উপলক্ষে দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠিত

দীঘিনালা মাইনি নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন যেন থামছেই না

Reporter Name / ২৩৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

 

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

 

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলার ১ নং মেরুং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বেতছড়ি পূর্বপাড়া এলাকায় মাইনি নদীর পার থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যমতে, এ কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুল গফুর ও হাশেম মিয়া।

 

জানা যায়, আব্দুল গফুর নিজ বাড়ি নির্মাণের উদ্দেশ্যে প্রথমে লেবার দিয়ে নদীর পাড় থেকে বালু উত্তোলন শুরু করেন। পরে উত্তোলিত বালু টলি গাড়িতে করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। একইভাবে হাশেম মিয়া নামের অপর এক বিএনপি নেতা তার বাড়ির নির্মাণ কাজে ব্যবহার করার জন্য অবৈধভাবে দুই টলি বালু নিয়ে যান।

 

তবে শুধু নিজেদের প্রয়োজনে সীমাবদ্ধ না থেকে, তারা আশেপাশের এলাকাগুলোতেও বালু বিক্রি শুরু করেছেন। প্রতি টলি গাড়ি বালু ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বালু বিক্রির টাকা লেনদেন ও হিসাব সংরক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন খোরশেদ নামের একজন বিএনপি কর্মী। তিনিই মূলত বালু ক্রেতাদের কাছ থেকে অর্ডার গ্রহণ করেন এবং সরবরাহের সমন্বয় করেন।

 

বালু উত্তোলনের বিষয়টি যেন প্রশাসনের নজরে না আসে, সে জন্য কৌশল হিসেবে মাইনি নদী থেকে উত্তোলিত বালু বেতছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে মজুদ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী টলি গাড়িতে বোঝাই করে তা ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা হয়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে দিনের পর দিন চলা এই অবৈধ বালু ব্যবসা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের ঝুঁকি বেড়েছে। একইসাথে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় উদ্বিগ্ন সচেতন এলাকাবাসী।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলতে না চাইলেও, এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর