শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নবাবগঞ্জে কৃষকের কলিজা শোভা পাচ্ছে ইটভাটায়  ইউপিডিএফ (গনতান্ত্রিক) দল বিলুপ্ত হয়নি প্রেস ব্রিফিং করে মিথ্যা অপপ্রচার করার অভিযোগ কুষ্টিয়ার মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত  খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের সাথে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সৌজন্য সাক্ষাৎ    কুষ্টিয়ায় চুরির অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ দীঘিনালায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াল বাবুছড়া ব্যাটালিয়ন (৭ বিজিবি) লংগদু তিনটিলা বনবিহারে ১৫তম অষ্টবিংশতি বুদ্ধপূজা ও মহাসংঘ দান অনুষ্ঠিত রাজশাহীর তানোরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের অভিযানে ১শ’ ১৫ বোতল ফেনসিডিলসহ মোটরসাইকেল জব্দ  সিংড়ায় অবৈধ পুকুর খনন, অভিযানে ৫টি ভেকুর ব্যাটারি জব্দ  খালিয়াজুরীতে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নবাবগঞ্জে কৃষকের কলিজা শোভা পাচ্ছে ইটভাটায় 

Reporter Name / ৭ Time View
Update : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

মোঃ জুলহাজুল কবীর নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।

কৃষকের পেট ফসলী উর্বর জমির আকার পরিবর্তনে জড়িতদের আটক,সরঞ্জাম জব্দ, সরঞ্জাম ধ্বংস ,ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো অলসতা নেই। খবর পেলেই সাথে সাথে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা। উপজেলা প্রশাসন সরকারের সম্পদ জনস্বার্থে রক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। নবাবগঞ্জ উপজেলার সমৃদ্ধির বিকাশ ঘটানোর নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে বাস্তবায়নের নেশায় মেতেছেন উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমান ।

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতে-দিনে চলছে ফসলি জমির মাটি ক্রয়-বিক্রয়ের অধিক পরিমাণে লাভজনক ব্যবসা । গুটি কয়েক অসাধু লোক কৃষি জমির (টপ সয়েল) উর্বর মাটি কেটে বিক্রি করছে। ফসলী জমির উর্বরতা শোভা পাচ্ছে নবাবগঞ্জের অবৈধ ইটভাটায়। ইটভাটা স্থাপন আইন অমান্য করে অবৈধভাবে এবং ফসল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে এসব অবৈধ ইটভাটা আরও মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা সৃষ্টি করছে ।

স্থানীয়রা তাদের ক্ষয়-ক্ষতির বিষয় কিছুটা মেনে নিলেও অনেকেই জানায়, প্রশাসনের নজরদারি মাঝে মধ্যে শিথিল থাকায় বছরের পর বছর ধরে অবৈধ এই কৃষক সর্বনাশের ব্যবসা বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। অবাধে কাঠ-খড়ি দিয়ে ইট পোড়ানো মৌসুমে এই ব্যবসা জীবণ ফিরে পায়, চলে প্রায় সারা বছর। সরকারের খাস জমি, কবরস্থান, নদী, নদীর ধার থেকেও চুরি হয়ে অবৈধ ইটভাটাসহ চলে যাচ্ছে আরও অন্যান্য কাজে ।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন সরকারি ও কৃষকের তিন ফসলী জমির মাটি কেটে গভীর গর্ত তৈরি করা হয়েছে। প্রতিরাতে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্রাক্টর ও ট্রাকে করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে গ্রামীণ সড়কগুলো নষ্ট হয়ে আশপাশের পরিবেশ ধুলোয় অন্ধকার, জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতিসহ সড়কের নোঙরা ধুলো বিভিন্ন রোগ ছড়াচ্ছে।

প্রকৃতির আকুতি, পতঙ্গের কান্না, জীব বৈচিত্র ধ্বংসে মানছেনা মানা, এরাই মাটি খোর।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস বলেন, ফসলি জমি থেকে জমির উপরিভাগের মাটি কাটার ফলে জমির উর্বর ক্ষমতা নষ্ট হযে যায় এবং উৎপাদন অনেক কমে যায়। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে কৃষি ও পরিবেশ বড় সংকটে পড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর