সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

কুষ্টিয়ায় মাদক ব্যবসায়ী খুন

Reporter Name / ১০৮ Time View
Update : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

 

রাশেদুজ্জামান রিমন, কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জনি ইসলাম (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) বেলা দেড়টার দিকে জেলার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জনি দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। নিহত জনি সীমান্ত এলাকার কুখ্যত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকের অর্ধডজন মামলা রয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। দৌলতপুরের চাঞ্চল্যকর মোহন হত্যার প্রধান আসামি তিনি। এ কারণে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হত্যা ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। শনিবার দুপুরে জামালপুর এলাকায় জনির উপস্থিতি টের পেয়ে প্রতিপক্ষের লালু ও সোহানের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার উপর হামলা চালায়। এ সময় হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে তার পায়ের রগ কেটে হত্যা নিশ্চিত করে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী এসে নিহত অবস্থায় জনির লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে সংবাদ দেয়। শনিবার বিকেলে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার থানায় নেয়। স্থানীয়রা জানান, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত। তিনি ভারতে পালিয়েও ছিলেন অনেকদিন। গত বছর জনির নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় মোহন নামে হত্যা করা হয়। ওই মামলার তিনি প্রধান আসামি। সীমান্তে নানা অপরাধের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন জনি। স্থানীয়দের ধারণা, মোহন হত্যাসহ মাদক কারবার সংক্রান্ত বিরোধেই প্রতিপক্ষরা তাকে হত্যা করতে পারে। এ ব্যাপারে দৌলতপুর থানার ওসি সোলায়মান শেখ বলেন, ‌‘জনি একজন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে। মাদক ও হত্যা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর