রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূলের সাহসী কলমযোদ্ধা ও মানবতার সেবক সাংবাদিক মোখলেছুর রহমান ধনু নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত,সিরাজগঞ্জ সোলার পার্কের বহুমুখী সাফল্য ও সম্ভাবনা তাড়াশে মেয়র পদে সোলায়মান হোসেন সিহাবকে দেখতে চায় সর্বস্তরের জনগণ তাড়াশ পৌর শহরে অবকাঠামো উন্নয়নে বেহাল চিত্র, বাড়ছে জনদুর্ভোগ জলাশয় ইজারা নিয়ে রণক্ষেত্র রায়গঞ্জ,সংঘর্ষে দুই বিএনপি কর্মী নিহত, আহত ১৫ কাশিয়ানীতে মাদকবিরোধী অভিযান: ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার, নিয়মিত মামলা দায়ের পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে জাতীয়তাবাদী তৃণমুল দলের ফুলের শুভেচ্ছা লংগদু বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  ডোমারে মুড়ির কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব

কুষ্টিয়ায় মাদক ব্যবসায়ী খুন

Reporter Name / ১১২ Time View
Update : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

 

রাশেদুজ্জামান রিমন, কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জনি ইসলাম (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) বেলা দেড়টার দিকে জেলার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জনি দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। নিহত জনি সীমান্ত এলাকার কুখ্যত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকের অর্ধডজন মামলা রয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। দৌলতপুরের চাঞ্চল্যকর মোহন হত্যার প্রধান আসামি তিনি। এ কারণে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হত্যা ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। শনিবার দুপুরে জামালপুর এলাকায় জনির উপস্থিতি টের পেয়ে প্রতিপক্ষের লালু ও সোহানের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার উপর হামলা চালায়। এ সময় হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে তার পায়ের রগ কেটে হত্যা নিশ্চিত করে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী এসে নিহত অবস্থায় জনির লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে সংবাদ দেয়। শনিবার বিকেলে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার থানায় নেয়। স্থানীয়রা জানান, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত। তিনি ভারতে পালিয়েও ছিলেন অনেকদিন। গত বছর জনির নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় মোহন নামে হত্যা করা হয়। ওই মামলার তিনি প্রধান আসামি। সীমান্তে নানা অপরাধের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন জনি। স্থানীয়দের ধারণা, মোহন হত্যাসহ মাদক কারবার সংক্রান্ত বিরোধেই প্রতিপক্ষরা তাকে হত্যা করতে পারে। এ ব্যাপারে দৌলতপুর থানার ওসি সোলায়মান শেখ বলেন, ‌‘জনি একজন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে। মাদক ও হত্যা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর