শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সলঙ্গায় অবৈধভাবে মজুত ৭০৯ লিটার ডিজেল জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড দীঘিনালায় জামায়াতে ইসলামীর নতুন কমিটি গঠন গণভোটের রায় বাস্তবায়ন সরকারের নৈতিক দায়িত্ব ভোলাহাটে সরকারী নির্দেশনা ফুয়েল অ্যাপ বাধ্যতামূলক,অ্যাপ ছাড়া জ্বালানি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ তাড়াশে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন: বিয়ের দাবিতে টানা অবস্থান, পালিয়ে গেছে প্রেমিকের পরিবার ভোলাহাটে বিশেষ অভিযানে ৯৮ বোতল ভারতীয় সিরাপসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক কুষ্টিয়ায় ৩১ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস  পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে তেল না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ, ঘণ্টাখানেক বন্ধ ছিল যান চলাচল দীঘিনালায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে সরকারি আর্থিক সহায়তা বিতরণ

লালমোহনে বেসরকারি হাসপাতালের খপ্পড়ে পড়ে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

Reporter Name / ১৩৪ Time View
Update : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি প্রাইভেট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের খপ্পড়ে পড়ে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার বিকেলে পৌরশহরের হাসপাতাল গেট এলাকার নিউ গ্রিণ লাইফ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে প্রসব বেদনা উঠলে তজুমদ্দিন উপজেলার আড়ালিয়া এলাকার গৃহবধূ মোসা. আছমা বেগমকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন স্বজনরা। এরপর সেখান থেকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার জন্য ওই গৃহবধূকে ডায়াগনস্টিকে পাঠানো হয়। ওই গৃহবধূকে নিয়ে তার স্বজনরা গ্রিণ লাইফ নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান। সেখানে গেলে ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের খপ্পড়ে পড়েন গৃহবধূ আছমা বেগমের স্বজনরা। নয়-ছয় বুঝিয়ে ওই গৃহবধূকে সেখানে ভর্তি করানো হয়। এরপর সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাহনাজ পারভীন ওই গৃহবধূকে সিজার করাতে হবে বলে জানান। চিকিৎসকের পরামর্শে সিজারের জন্য হাসপাতালে ১০ হাজার টাকাও জমা দেয়া হয়। এরপর গৃহবধূ আছমা বেগমকে সিজার না করিয়ে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা করা হয়। এতে ওই গৃহবধূর নবজাতক শিশুটি মারা যায় বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।

গৃহবধূ আছমা বেগমের স্বামী মো. ইব্রাহিম অভিযোগ করে বলেন, প্রসব বেদনা ওঠার পর মঙ্গলবার ভোরে আমার স্ত্রীকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করাই। সেখান থেকে জানানো হয় একটি আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হবে। এরপর সকালে গ্রিণ লাইফ হসপিটালে গেলে তারা কয়েকটি টেস্ট করিয়ে আমাদের জানান, বাচ্চার শারীরিক অবস্থা ভালো না, স্বাভাবিক প্রসব করালে বাচ্চা মারা যাবে। তাই ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কথামতো আমার স্ত্রীর সিজারের জন্য টাকাও পরিশোধ করেছি। তবে কিছুক্ষণ পর তারা আমার স্ত্রীকে সিজার না করিয়ে স্বাভাবিক প্রসব করান। সংশ্লিষ্টদের অবহেলায় আমার বাচ্চাটি মারা গেছে। আমি তাদের বিচার চাই।

এ অভিযোগের বিষয়ে নিউ গ্রিণ লাইফ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতালের পক্ষ থেকে মো. বাবুল জানান, আমাদের এখানে আনার আগেই ওই রোগীর অবস্থা খারাপ ছিল। পরে আমরা রোগীকে সিজার করাতে বলি। তবে সিজার করানোর আগেই ওই রোগী স্বাভাবিক প্রসবে একজন মৃত নবজাতকের জন্ম দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর