মোঃ সামছু উদ্দিন লিটন, সেনবাগ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের আরও ২৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (৭ জুন) ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) টি. এম. মোশাররফ হোসেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সংঘর্ষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ও কালাদরাপ ইউনিয়নে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসনের দাবি, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ।
একই আদেশে ফেনীর সোনাগাজী থানার ওসি মো. কামরুল ইসলামকে সুধারাম মডেল থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সুধারাম থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শ্রীরাম ভট্টাচার্যকে হাতিয়া থানার ওসি (তদন্ত) এবং হাতিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমানকে সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার টি. এম. মোশাররফ হোসেন বলেন, “সুধারাম মডেল থানার ওসিকে পুলিশ লাইন্সে বদলি করা হয়েছে। এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ। গত দুই দিনে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মোট ৪৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”