মকবুল হোসেন
ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল বলেছেন, জনগণের কল্যাণ সাধনই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
রোববার (৭ জুন) ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সিগনেচার কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আব্দুল আওয়াল বলেন, জিয়াউর রহমান-এর ১৯ দফা কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতির উন্নয়ন। খাল খনন কর্মসূচি, তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), রেমিট্যান্স খাত এবং নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসসহ বিভিন্ন উদ্যোগ দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একইভাবে খালেদা জিয়া-র নেতৃত্বে ১৯৯১ সালে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) চালু এবং নারীদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা সম্প্রসারণ দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) জন কেনেডি জাম্বিল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. সাইফুর রহমান, মো. কামরুল হাসান এবং বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা। এছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা জানান, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সরকারের বিভিন্ন সিগনেচার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবস্থা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন।
মুখ্য সমন্বয়ক আরও বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, তরুণদের খেলাধুলামুখী করে তোলা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্সের পাশাপাশি কৃষিপণ্য, চামড়া ও ইলেকট্রনিকস পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণ সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত।
তিনি বলেন, “তৃণমূল পর্যায়ের বাস্তব অবস্থা মূল্যায়নের জন্যই এ ধরনের মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হচ্ছে। সরকারের সিগনেচার কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লক্ষ্য বাস্তবায়ন সহজ হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”