সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

কাটেনি শোক! মামলার শিকার পুরো পরিবার

Reporter Name / ১৫৬ Time View
Update : সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক,(চট্টগ্রাম)

 

পটিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নির্মমভাবে পিটিয়ে খুন হন নুরুল হক। এই মর্মান্তিক হত্যার মাত্র এক সপ্তাহ না পেরুতেই পরিবারটি এক নতুন সংকটের মুখে পড়ে; যেখানে খুনের মামলার বাদী জামাল উদ্দিনসহ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় পাল্টা মামলা দায়ের হয়েছে।

 

৩০ মে, পটিয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের দলিলুর রহমান ফকিরের বাড়ির সামনে জমির বিরোধে নুরুল হককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এসময় আরও ৪-৫ জন আহত হন, যাঁরা পরে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

 

নিহতের পুত্র জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে এর একদিন পর পটিয়া থানায় ১৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। কিন্তু ঘটনার তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই, ৫ জুন রাতে পটিয়া থানা থেকে পাল্টা মামলা রেকর্ড করা হয়। এতে জামাল উদ্দিন, তার ভাই, মাতা, চাচি এবং দাদিসহ পরিবারের আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

 

পাল্টা মামলায় অভিযুক্তরা হলেন: জামাল উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, নুরুল ইসলাম (নিহতের ভাই), ছেমন আরা বেগম (নিহতের স্ত্রী), রেনু আকতার (বাদীর চাচি), জুলেখা বেগম (বাদীর দাদি) ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন।

 

জামাল উদ্দিন জানান, “আমার বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, আমরা ন্যায় চেয়ে থানায় গিয়েছিলাম। কিন্তু আজ আমরা যাদের জন্য লড়েছি, তাদের হাতেই বন্দি হয়ে গেলাম। পুলিশি এ ধরনের আচরণে ঈদের দিন থেকেই আমাদের পরিবার আতঙ্কিত ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।”

 

পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আতাউর রহমান বলেন, “স্থানীয় জমি বিরোধের জেরে দুটি মামলা রেকর্ড হয়েছে। আমরা নিরপেক্ষ তদন্ত করে সঠিক তথ্য বের করার চেষ্টা করছি। কাউকে অবিচার করা হবে না।”

 

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এক প্রতিবেশী বলেন, “যাঁরা রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের বিচার চাওয়া কি অপরাধ? তদন্তের নামে যদি নির্দোষ মানুষকে হয়রানি করা হয়, তবে ন্যায়বিচার কোথায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর