শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে রাজনৈতিক স্লোগান, পরে মুছে ফেলা হলো রায়গঞ্জে ২৬ মণ নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ, জরিমানা ২ হাজার টাকা ময়মনসিংহে স্বাস্থ্য বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে স্কুল ভবন থেকে পড়ে ছাত্র গুরুতর আহত সিরাজগঞ্জ-পাবনায় ১০৩ অস্ত্র উদ্ধার সিরাজগঞ্জে ৫৩০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অসুস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুর রহমান মিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন যুবদল নেতারা সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র, ৯০ দিনে বিচার দাবি তাড়াশে দলিল জালিয়াতির মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার তাড়াশে মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে আওয়ামী লীগের ৪ সমর্থক গ্রেপ্তার
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাইন বিস্ফোরণে তিন বাগানচাষী নিহত: উদ্বেগ জানিয়ে ডিমাইনিং ও ক্ষতিপূরণের দাবি ইউপিডিএফের

প্রতিবেদকের নাম / ১০৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

 

এস চাঙমা সত্যজিৎ, স্টাফ রিপোর্টার:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন ফলচাষী নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং সীমান্তবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে দ্রুত ডিমাইনিং কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষ জীবিকার তাগিদে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। কিন্তু সেখানে পুঁতে রাখা স্থলমাইন তাদের জীবনকে চরম অনিরাপদ করে তুলেছে।

নিহতরা হলেন ঘুমধুম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভালুকিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা অংক্যমং তঞ্চঙ্গ্যা (৪০), চিংক্ষ্যং তঞ্চঙ্গ্যা (৩২) এবং চপোচিং তঞ্চঙ্গ্যা ওরফে লেরাইয়া (৩৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা সীমান্তঘেঁষা একটি ফলের বাগানে কাজ করার সময় হঠাৎ বিকট বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।

ইউপিডিএফের বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী সীমান্ত এলাকায় এসব মাইন পুঁতে রাখতে পারে। ফলে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের সাধারণ জনগণ প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে জীবনযাপন করছে। সংগঠনটি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, জনগণের নিরাপত্তা ও জীবন-জীবিকার স্বার্থে সীমান্ত এলাকায় আরও কোথাও মাইন পুঁতে রাখা হয়েছে কিনা তা জরুরি ভিত্তিতে শনাক্ত করে দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা নিতে হবে।

অংগ্য মারমা আরও বলেন, এর আগেও একাধিকবার সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কার্যকর ডিমাইনিং উদ্যোগ গ্রহণে সরকারের উদাসীনতা ও অবহেলা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করারও দাবি জানান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি দীর্ঘদিনের হলেও সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করার উদ্যোগ এখনও পর্যাপ্ত নয়। ফলে প্রতিনিয়ত প্রাণহানির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মাঝে বিরাজ করছে গভীর আহাজারি ও আতঙ্ক।

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
26 May 2026

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাইন বিস্ফোরণে তিন বাগানচাষী নিহত: উদ্বেগ জানিয়ে ডিমাইনিং ও ক্ষতিপূরণের দাবি ইউপিডিএফের

www.dainikkagoj.com
26 May 2026

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাইন বিস্ফোরণে তিন বাগানচাষী নিহত: উদ্বেগ জানিয়ে ডিমাইনিং ও ক্ষতিপূরণের দাবি ইউপিডিএফের

www.dainikkagoj.com