সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

বেলকুচিতে ৫৪৭ পরিবারকে এমএমএস-এর দুর্যোগ-সহনশীল আয় বৃদ্ধিমূলক নগদ সহায়তা প্রদান

Reporter Name / ৯৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫

ইয়াহিয়া খান, সিরাজগঞ্জ:

যমুনা নদী-বেষ্টিত সিরাজগঞ্জ জেলায় প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজারো মানুষ। এসব দুর্যোগ স্থানীয় জনগণের জীবন-জীবিকায় মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এই প্রেক্ষাপটে দুর্যোগপ্রবণ এলাকাগুলোর মানুষকে সহনশীল করে তোলার লক্ষ্যে “বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলার বর্ষা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প” বাস্তবায়ন করছে মানব মুক্তি সংস্থা (এমএমএস)।প্রকল্পটি কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (KOICA)-এর অর্থায়নে এবং অক্সফামের সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর, বেলকুচি সদর ও বরধুল ইউনিয়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।২০২৫ সালের প্রকল্পের দ্বিতীয় বর্ষে ৬০০ উপকারভোগী পরিবারকে দুর্যোগ-সহনশীল আয়-উৎপাদনমূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করতে প্রতি পরিবারে ১৫,০০০ টাকা করে মোট ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।এর অংশ হিসেবে ৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বেলকুচি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৫৪৭ পরিবারকে মোট ৮২ লাখ ৫ হাজার টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান। উপস্থিত ছিলেন মানব মুক্তি সংস্থার প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রকল্পভুক্ত তিন ইউনিয়নের উপকারভোগীরা।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান বলেন,এমএমএস দীর্ঘদিন ধরে সিরাজগঞ্জে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে প্রশংসনীয় কাজ করছে। স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে তারা যথাসময়ে সঠিক উপকারভোগীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে সফল হয়েছে।তিনি আরও বলেন, উপকারভোগীরা যেন এই অনুদান সঠিকভাবে আয়-উৎপাদনমূলক কাজে ব্যবহার করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আয় ও সঞ্চয় বৃদ্ধির জন্য কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন হলে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান।ইউএনও আফরিন জাহান দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ করার জন্য KOICA, অক্সফাম ও মানব মুক্তি সংস্থা (এমএমএস)-কে ধন্যবাদ জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর