সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

পাউবো’র উদ্যোগে ভুলুয়ানদীর খনন কাজের উদ্বোধন স্বস্তিতে হাজার হাজার মানুষ

Reporter Name / ২০৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫

মোখলেছুর রহমান ধনু

রামগতি -কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরে ভুলুয়ানদীর পানির স্রোত প্রবাহমান করতে কাজ করছেন পাউবো। রবিবার দুটি উপজেলার চরনেয়ামত, পোড়াগাছা ইউনিয়, তোরাবগঞ্জ ও  চরকাদিরায় একাজের উদ্বোধন করা হয়। এতে দীর্ঘ অস্বস্তির পর হাজার হাজার মানুষের স্বস্তি ফিরেছে। চলতি বর্ষায় মৌসুমে মানুষের জানমাল ও দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতে লক্ষ্মীপুর জেলা পাওবোর উদ্যোগকে স্বাগত জানান সর্বস্তরের মানুষ।

 

জানা যায়, রামগতি ও কমলনগর উপজেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত ভুলুয়া নদীটিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা দখলসহ নানাভাবে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে রেখেছে। বছরের পর বছর এমন অবৈধ দখলকান্ডে ভুলুয়ানদীটি  এখন ‘সরু’ খালে পরিণত হয়েছে।

 

কমলনগর উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে লক্ষ্মীপুর পাওবো টানা বৃষ্টির মধ্যেই কাজ শুরু করেছেন। তবে এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিশেষ করে চরকাদিরা ও চরপোড়াগাছা ইউনিয়নে এখনও পানি জমেনি। গেলো ২০২৪ সালে এসময় দুটি উপজেলায়  অস্বাভাবিক জোয়ার ও অতিবৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। দুর্ভোগে ডুবে ছিলো হাজার হাজার মানুষ। পানিনিষ্কাশনে  অসাধু ব্যক্তিদের ছোট-বড় ডুবো বাঁধ ও মাছের ঘের উচ্ছেদ কিংবা অপসারণ করলে পানি দ্রুত নিষ্কাশন হবে।

 

এদিকে ইতোমধ্যে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাহাত উজ জামান ভুলুয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়েছেন।

 

উপসহকারী প্রকৌশলী আবদুর রহিম বলেন, আমরা ‘স্যারের’ নির্দেশে ভুলুয়া নদীর অবৈধ বাঁধ ও পানিনিষ্কাশনে বাধাগুলো চিহিৃত করেছি।  পানি নিষ্কাশনের জন্য ভেকুর মাধ্যমে অবৈধ বাঁধ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছি। এতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাহিদ উজ জামান খান বলেন,  দুুটি উপজেলার মানুষের জানমাল রক্ষা ও সরকারের নদীখনন পুনঃখনন কাজকে আরও গতিশীল রাখার স্বার্থে আমরা বর্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে কাজ করেছি। নিয়মানুযায়ী ভুলুয়া নদীর পানি প্রবাহমান  যেন থাকে এবিষয়ে আমরা সর্বদা কাজ করেছি। ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের কল্যাণে আমাদের এমন কাজ অব্যাহত থাকবে।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর