মিরপুরে হোটেলে আটকে মুক্তিপণ নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার মিরপুর থেকে বেড়ানোর কথা বলে ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ ও দোকান লিখে নেবার অভিযোগে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ উপজেলা শাখার উদ্যোগে
সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটির এক নেতা।
বুধবার (১৪ মে) কুষ্টিয়ার মিরপুর পৌরসভার পালপাড়ায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক কাজল কুমার কুন্ডু নিজেকে হোটেলে আটকে রেখে ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ ও দোকান লিখে নেওয়ার অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী একজন ব্যবসায়ী ও একই এলাকার মৃত কালাচাঁদ কুন্ডুর ছেলে।
কাজল কুমার কুন্ডু সাংবাদ সম্মেলন এর মাধ্যমে বলেন, মিরপুর পৌরসভার পালপাড়া এলাকার রবিন আহমেদ রকি ও নওপাড়া গ্রামের ফজলে রাব্বি সম্রাট ঋণ তুলে দেওয়ার কথা বলে তাকে পাবনার রূপকথা ইকো রিসোর্টে যেতে বলে। পরে সেখানে ভুক্তভোগী গেলে তাকে হোটেলের একটি রুমে আটকে রেখে তার স্ত্রীর কাছে মুঠোফোন বিকাশের মাধ্যমে ২ লক্ষ টাকা আদায় করে। এ সময় তাকে আটকে রেখে জিম্মি করে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে তার স্ত্রীর নিকট হতে একটি দোকান ঘর এর চুক্তিনামা লিখে নেয়। এ সময় তিনি আরো বলেন এ ব্যাপারে মিরপুর থানায় একটি এজাহার জমা দিতে গেলে সেখান থেকে ফিরিয়ে দেয়। এ সময় পৌর বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ইব্রাহিম হোসেন, বাংলাদেশে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মিরপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আনন্দ কুমার দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক সুশীল কুমার পাল, পৌর শাখার সভাপতি স্বপন কুমার বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ ব্যাপারে মিরপুর থানার ওসি মমিনুল ইসলাম বলেন, কাজল কুমার কুন্ডু নামের এক ব্যবসায়ী দুপুরে মিরপুর থানায় এসেছিল। সে বলেছে তাকে ঋণ তুলে দেওয়ার কথা বলে রবিন ও সম্রাট দুজন পাবনায় যেতে বলে। সেখানে গেলে একটি হোটেলে তাকে আটকে রেখে বিকাশের মাধ্যমে তারা ২ লক্ষ টাকা নেয়। কিন্তু ঘটনা স্থল পাবনায় হওয়ার কারণে আমি তাকে আইনগত সহায়তা নেওয়ার জন্য পাবনায় যেতে বলি। এছাড়াও ভুক্তভোগী সেচ্ছায় মিরপুর থেকে গিয়েছে । এ ঘটনা যদি মিরপুর থানার মধ্যে হতো তাহলে আমরা অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নিতাম এবং বর্তমানে তাকে আমরা আইনগত সহায়তা করব।








