ময়মনসিংহ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য আগমনকে সামনে রেখে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী এনডিসি’র সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, চার জেলার জেলা প্রশাসক, ডিজিএফআই ও এনএসআই-এর বিভাগীয় প্রধান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, ত্রিশাল ও ভালুকা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। শুরুতে হেলিপ্যাড এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো প্রয়োজনীয় স্থানে সংস্কার ও মেরামতের ওপর গুরুত্বারোপ করে। মহাসড়কে ফুটপাত উচ্ছেদ, ময়লা পরিষ্কার, ফুটওভার ব্রিজের পুনঃস্থাপন ও সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে বলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বাজারসংলগ্ন ছোট রাস্তাগুলোর পাশে থাকা অবৈধ ঝুপড়ি দোকান দ্রুত উচ্ছেদ করা হবে। পৌর এলাকার ড্রেন পরিষ্কার, সৌন্দর্যবর্ধন, সড়কে আলোকসজ্জা এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়গামী সড়কের উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নজরুল স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোও সাজানো হবে। এছাড়া কোরবানির পশুর হাট যেন উৎসবের পরিবেশ ব্যাহত না করে, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে জানানো হয়, অনুষ্ঠানের সময় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং বিকল্প হিসেবে জেনারেটরের ব্যবস্থাও রাখা হবে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সুপেয় পানি ও মোবাইল টয়লেটের ব্যবস্থা করবে। জেলা পরিষদ সংশ্লিষ্ট কাজগুলোতে সার্বিক সহায়তা প্রদান করবে বলে জানানো হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে হাইওয়ে পুলিশ, ডিজিএফআই, এনএসআই ও জেলা পুলিশের সমন্বয়ে কাজ চলছে। এসএসএফ-এর নির্দেশনা অনুযায়ী অতিরিক্ত প্রস্তুতিও নেওয়া হবে। অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তিগত ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ থাকবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুর জেলার শিল্পীরা নজরুলভিত্তিক নৃত্যনাট্য, গীতিনৃত্য, যাত্রাপালা, গান ও কবিতা পরিবেশন করবেন।
সভায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।



