সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পার্বত্যভূমির পরিবর্তন আসবে কি – ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাক আহবায়ক সিএইচটি সম্প্রীতি জোট 

Reporter Name / ৩৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

মোঃমাসুদ রানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

পাহাড়ের সহজ সরল মানুষ জীবনকে অতিষ্ট করে তোলার দায় কার? নির্বাচন আসবে যাবে। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামের ১৪ টি জাতির অস্তিত্ব রক্ষা হবে কি? জামায়াত-বিএনপি থেকে শুরু করে যে সকল দল ও প্রার্থীরা ভোটে জয়যুক্ত হওয়ার জন্য ঘরে ঘরে মানুষে মানুষের মাঝে চষে বেড়াচ্ছে তাদের কাছে ১৯০০ সনের ব্রিটিশ রেগুলেশন আইন বাতিল করে পার্বত্যবাসীকে বাংলাদেশের নাগরিকক্ত দিতে পারবে কিনা?

তারা পারবেন না। সারা দেশে ৩৫০ জন সাংসদ জয়যুক্ত হবেন। দেশের পথ পরিবর্তন নিয়ে কাজ করবেন। তবে ২৮ বছর ধরে বঞ্চনার অবসান ঘটাতে হলে সারা দেশের নাগরিকদের পাহাড়ের মানুষের অস্তিত্ব সংকটের নেপথ্যে কারণগুলো জানা জরুরি।

সারা দেশে ৬৪ জেলা থেকে ৬১ জেলায় ১৯৭২ সালের সংবিধানে অর্ন্তভুক্তি করা হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩ জেলা অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তাই এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের ভিনদেশী হিসেবে বসবাস করে আসতে হয়েছে। সমতলের নাগরিকরা কেন পার্বত্য অঞ্চলে জমি ও চাকরি করতে পারবেন না। তার মুলে রয়েছে দ্বৈত শাসন নীতি। অশান্তি চুক্তির মুলা ঝুলিয়ে ভারতকে খুশি করতে ৫৫ বছরে ১০ সরকারের পট পরিবর্তন হলেও পাহাড়ের জ্বলতে থাকা অগ্নি নিভাতে সচেষ্ট হয়নি। একদিকে ১২ জাতিকে অশান্তি চুক্তির পক্ষে সুফল নিয়ে বয়ান দেওয়ার পাশাপাশি বাঙ্গালি জাতিকে কুফল নিয়ে রাস্তায় সোচ্চার করে রাখা হয়েছে। যা একান্তভাবে ভারতকে খুশি করতে নিজ দেশের নাগরিকদের কলুর বলদ বানিয়ে রাখা হয়েছে।

প্রিয় পার্বত্যবাসী, আঘাত আমাদের সুতরাং ব্যাথাও আমাদের। চেতনা ও উন্নয়নের বয়ান আর আদিবাসী বানিয়ে জাতি মুছে ফেলার খেলায় যারা লিপ্ত হতে বাধ্য করছে তাদের চিনে রাখুন। ভোট চাইতে যারা আসছে তাদের কাছে প্রশ্ন ছুড়ে দিন। তথাকথিত অস্তিত্ব রক্ষা ও রসে ভরা মিথ্যা প্রতিশ্রুতির বানে ভাসলে আমাদের আরো ৫ বছর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তাই চিরস্থায়ী সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বন্ধে কার্যকর ভুমিকা রাখতে প্রার্থী ও দলের ইশতিহারের দিকে নজর রাখুন। প্রশ্ন করুন পার্বত্যবাসীর দুঃখ লাঘবের ইশতিহার কই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর