মোখলেছুর রহমান ধনু
রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও মানবিক নারী নেত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইনকে আগামী মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। এ দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন রামগতি ও কমলনগর উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
স্থানীয়দের মতে, মরহুম জননেতা শফিউল বারী বাবুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং রামগতি-কমলনগরের দীর্ঘদিনের অবহেলিত জনপদের উন্নয়নে বীথিকা বিনতে হোসাইনের নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি মানবসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করছেন, তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে শুধু রামগতি-কমলনগর নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
কমলনগর উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব রেদোয়ান হোসেন বলেন,
“রামগতি ও কমলনগরের প্রতিটি মানুষের মুখে এখন একটিই নাম—বীথিকা বিনতে হোসাইন। আমরা তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। তিনি মন্ত্রী হলে এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে এবং উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।”
একই দাবির পক্ষে চর কাদিরা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক আব্বাস উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন,
“মরহুম শফিউল বারী বাবু এ অঞ্চলের মানুষের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তার যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে বীথিকা বিনতে হোসাইন অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। তাকে মন্ত্রিসভায় স্থান দিলে তৃণমূল নেতাকর্মীরা দলের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে।”
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শত শত পোস্ট ও প্রচারণার মাধ্যমে বীথিকা বিনতে হোসাইনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দলের দুঃসময়ে পাশে থাকা একটি পরিবারের প্রতিনিধি এবং একজন দক্ষ নারী নেতৃত্ব হিসেবে তাকে যথাযথ মূল্যায়ন করা এখন সময়ের দাবি।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা আশা করছেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাদের এই দাবির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবে এবং আগামী দিনে বীথিকা বিনতে হোসাইন জাতীয় পর্যায়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।