শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাতকানিয়ার দক্ষিণ ঢেমশা চৌমুহনী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা  ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয়, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও বার্ষিক মিলাদ মাহফিল-২০২৬ অনুষ্ঠিত” সান্তাহারে বিহঙ্গ শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন  গ্রিসে পাঠানোর প্রলোভন: ২৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে লিবিয়ায় আটকে নির্যাতন, দেশে ফিরলেন দুই যুবক সিরাজগঞ্জে চাচাদের হামলায় ৫ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ইয়ারিংছড়ি সেনামৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন শিক্ষার্থীদর বরণ অনুষ্ঠিত  গোপালগঞ্জে পাসপোর্ট সেবায় ধস: লোডশেডিংয়ে থমকে কাজ, ভোগান্তিতে সেবাপ্রত্যাশী লালমোহনে স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে নাগরিক সংবর্ধনা খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সিন্দুকছড়ি জোন আয়োজনে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও মেডিকেল চক্ষু ক্যাম্পেইন  তাড়াশে ধান ক্ষেত থেকে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

লালমোহনে পল্লী বিদ্যুতের ৩১টি ট্রান্সফরমার বিক্রির জন্য নেয়ার পথে রবিশালে আটক 

Reporter Name / ১৪২ Time View
Update : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

ভোলা প্রতিনিধি :

ভোলার লালমোহনে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার যথাযথভাবে ব্যবহার না করে খুলনা বিক্রি করে দিচ্ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার। ট্রাকে করে এসব ট্রান্সফরমার নেওয়ার পথে বরিশালে আটক হন ঠিকাদের নির্দিষ্ট দুই ব্যক্তি। তারা খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার শওকত হোসেনের ছেলে মো. সজল ও ভোলার শশীভূষণ থানার ইসমাইল সরদারের ছেলে মো. হাসান। এ ঘটনায় শনিবার লালমোহন থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এদিন ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম সুদিপ্ত রায় স্বশরীরে লালমোহনসহ বিভিন্নস্থানে তদন্ত করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজছেন তিনি। আটককৃতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে লালমোহন থানায় নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ট্রাকযোগে ৩১টি ট্রান্সফরমার খুলনা নেওয়ার পথে বরিশাল বিমান বন্দর থানা পুলিশের হাতে আটক হন সজল ও হাসান নামের দুই ব্যক্তি। তাদের কাছে মালামালের চালানসহ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস চাইলে তারা তা দেখাতে পারেননি। পরে থানায় নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা ট্রান্সফরমারগুলো ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঠিকাদার সাদ্দাম হোসেনের বলে জানান। ওই ঠিকাদারের বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চেয়ারম্যান হাটে। তিনি চরফ্যাশন ও লালমোহন উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার। লালমোহন ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকায় তার অফিস রয়েছে। সাদ্দাম হোসেনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম মেসার্স কর্ণফুলী ট্রেডার্স। তিনি পল্লী বিদ্যুতের বিভিন্ন কার্যাদেশের বিপরিতে এসব ট্রান্সফরমার ইস্যু করান। তবে ঠিকাদারের এসব ট্রান্সফরমার তদারকীর দায়িত্বে রয়েছেন পল্লী বিদ্যুতের লালমোহন জোনাল অফিসের এজিএম খালেদ মাসুদ মজুমদারসহ আরো কয়েকজন। তাদের সঠিক তদারিক অভাবেই এমনটা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এদিকে লালমোহন পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স কর্ণফুলী ট্রেডাসের পরিচালক সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকার কল করলেও তিনি কল কেটে দিয়ে মোবাইলফোন বন্ধ করে দেন।

তবে পল্লী বিদ্যুতের লালমোহন জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মাহমুদুল হাসান জানান, জব্দকৃত ট্রান্সফরমারগুলো লালমোহনের। এগুলো ঠিকাদার সাদ্দাম হোসেন তার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স কর্ণফুলি ট্রেডার্সের নামে বিভিন্ন কার্যাদেশের বিপরীতে ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্টোর থেকে বিভিন্ন সময়ে উত্তোলন করেছিলেন। কিন্তু তিনি এগুলো যথাযথ ব্যবহার না করে খুলনা নিয়ে যাচ্ছিলেন। যা কোনোভাবেই অফিশিয়াল ডকুমেন্ট ব্যতিত অন্যত্র পরিবহণযোগ্য নয়। যার জন্য একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর