সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় মহালছড়িতে সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত

Reporter Name / ১২৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

মোঃমাসুদ রানা,

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

 

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে শান্তি-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় এক সম্প্রীতি সভা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহালছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে এ সভা আয়োজন করা হয়।

 

সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু রায়হানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল, মহালছড়ি সরকারি কলেজের প্রভাষক শামসুল আলম, মহালছড়ি জোনের সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট সাজিদ বিন আনোয়ার, মহালছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহিরুল হক সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

সভায় বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে বহু জাতি, বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের বসবাস হলেও এখানে সম্প্রীতির ঐতিহ্য সুদীর্ঘকাল ধরে বিদ্যমান। সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে যাবে।

 

প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার তাঁর বক্তব্যে বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধই শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি। পার্বত্য চট্টগ্রামে সম্প্রীতির যে অনন্য দৃষ্টান্ত বিদ্যমান, তা ধরে রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। প্রশাসন সবসময় জনগণের পাশে আছে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

 

এছাড়াও পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল বলেন, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা কেবল পুলিশের নয়, জনগণেরও দায়িত্ব। সবাই একসাথে কাজ করলে কোনো অপশক্তি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারবে না।

 

সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

 

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা মিলিতভাবে শান্তি ও সম্প্রীতির প্রতীকী অঙ্গীকারে শামিল হন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর