সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

কমলনগরে এসিল্যান্ডের ডগায় অতিরিক্ত ‘খাজনা’ আদায়ের অভিযোগ

Reporter Name / ২৬১ Time View
Update : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

 

 

মোখলেছুর রহমান ধনু

রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)’র ডগায় বসে খাজনা-দাখিলাসহ নানা কাজে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার উপজেলার চরলরেন্স তহশিল অফিসে এমন চিত্র দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তা আবুল কাশেম (জাফর),’বহিরাগত’ লোক চেয়ারে বসিয়ে অফিসপরিন্থী কাজ করেন। এতে একদিকে নদীভাঙা মানুষের পকেট কেটে নেয়া; অন্যদিকে সরকরী সেবার স্থলে নিজেদের পকেট ভারী করা।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার চেয়ার ‘ফাঁকা’। পাশের চেয়ারে বহিরাগত এক লোক বসে কাজে দেখা গেছে। অভিজ্ঞ ও সরকারের গোপনীয় জায়গায় আইডি-পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বহিরাগত অনভিজ্ঞ লোক অফিস শৃঙ্খলা ভঙ্গ ছাড়া কিছুই না। উপজেলা ভূমি অফিসের নাকের ডগায়

 

এমন কাজে সর্বস্ত্মরের মাঝে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। চরলরেন্স এলাকার রুবেল নামে এক ব্যক্তি থেকে ১৪ হাজার টাকার খাজনা নিয়ে মাত্র সাড়ে ছয় হাজার টাকার রশিদ দেয়া হয়েছে। এভাবে দিনের পর দিন অফিসে কাজের নামে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে নিয়ে সর্বশান্ত করেন ভুক্তভোগীদের। চরলরেন্স করইতলা বাজারের ফিরোজ আলম বলেন, আমি একটি নামজারি করতে সাড়ে ছয় হাজার টাকা দিয়েছি।

 

অভিযোগ অস্বীকার করে চরলরেন্স ইউনিয়ন উপসহকারী কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম বলেন, খাজনার নামে অতিরিক্ত নেয়ার কোন বিধান নেই। সরকারী নির্ধারিত টাকার বাহিরে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয় না


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর