সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

রামগতিতে ৩৬ হাজার কৃষকের উপর প্রভাব উত্তোলনের আগেই টাকা দিতে হয় কৃষি কর্মকর্তাকে

Reporter Name / ২১৫ Time View
Update : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

মোখলেছুর রহমান ধনু

রামগতি- কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি,

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে আমন ধানের প্রধান উপকরণ ইউরিয়াসহ বিভিন্ন ধরণের সার উত্তোলনে ডিলারদের  থেকে অবৈধ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে।

 

জানা যায়, উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে বিসিআইসি সার ডিলার রয়েছে নয়জন। বিএএসডিসি ডিলার ছয়জন। বিসিআইসি মূলত জেলা প্রশাসক থেকে স্বাক্ষর হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আসে। পরে উপজেলা প্রশাসন ডিলারদের  বিগত মাসের বিতরণ সন্তোষজনক দেখে প্রত্য প্রদান করেন। এছাড়া

 

বিএডিসি ডিলার তাদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের প্যাডেস্বাক্ষর করেন। একই প্যাডে উপজেলা কৃষি অফিসার প্রতিস্বাক্ষর করে ‘সার’ উত্তোলনের অগ্রগতি করেন। চলতিমাসে প্রতি ডিলার পেয়েছে ইউরিয়া ৭২ মে.টন, টিএসপি-১০ মে.টন, ডিএমপি ১৬ মে.টন, এমওপি ৫ মে.টন অন্যদিকে বিএডিসি’র সার পেয়েছে টিএসপি ১০ মে.টন, ডিএপি ১৬ মে.টন ও এমওপি ৫ মে.টন।

 

গোপন সূত্রে জানায়, বিধান না থাকলেও বিএডিসির প্রতিস্বাক্ষর ও উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি থেকে প্রত্যয়ন দেয়ার আগেই অবৈধ টাকা দিতে হয় কর্মকর্তাকে। যা সার ডিলার কাজের পরিপন্থী। আর এসব হচ্ছে কর্মকর্তার একটি গোপন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। কেউ প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে তাকে নানা অজুহত দেখিয়ে লাইসেন্স বাতিলসহ ভয় দেখান তিনি। অফিসের একেকজনকে এক একটি অবৈধ কাজের গোপন সিন্ডিকেট করে রেখেছেন। তার অবৈধ সুবিধার দিকে  কেউ না তাকালে তিনি তাকে  কোন কাজের পেইন দেন না।

 

সূত্রে আরও বলেন,  প্রতিমাসে জনপ্রতি টাকা দিতে হয় (বিসিআইসি) ২৫০০ টাকা ও বিএডিসি (১৫০০) টাকা।

 

বিগত ছয়মাসে বিসিআইস থেকে  অবৈধ টাকা নিয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ও বিএডিসি থেকে নিয়েছেন ৫৪ হাজার টাকা। যা সম্পূর্ণ বেআইনী। কর্মকর্তার সাথে গোপন আঁতাত করা এক শ্রেণির  ডিলার তারা কৃষককে ফাঁদে অন্যাভাবে  হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

 

নামপ্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ডিলার বলেন, অবৈধ টাকা দিলেও সমস্যা; না দিলেও  সমস্যা। টাকা না দিলে প্রত্যয়নপ্রত্রসহ সার উত্তোলন কাজে নানা সমস্যায় ভোগতে হচ্ছে।  টাকা দিলে আমরা পরবর্তীতে কৃষকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকায় সার বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে প্রভাব পড়ে উপজেলা কৃষকের উপর।

 

অভিযোগ অস্বীকার করে রামগতি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটর সদস্য সচিব মো. মজিবুর রহমান বলেন, আমরা যথাযথ নিয়মে ডিলারদের কাগজপত্র সহি স্বাক্ষর করে দেই। এখানে টাকা নেয়ার কোন বিধান নেই। এমন অভিযোগ ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি ওই কর্মকর্তার।

 

রামগতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি সৈয়দ মো. আমজাদ হোসেন বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে অবৈধভাবে কেউ টাকা নেয়ার কোন সুযোগ নেই। এরকম অভিযোগ পেলে

 

দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর