লংগদুতে তেজস্বী বীরের অভিযানে আবারো বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেট জব্দ
মোঃ এরশাদ আলী, লংগদু(রাঙ্গামাটি)
সীমান্তের চোরাই পথে অবৈধ ভাবে ভারতীয় সিগারেট দেশে ঢুকছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে মারিশ্যা হতে খেদারমারা এলাকা হয়ে দুরছড়ি পাবলাখালী এলাকার মধ্য দিয়ে লংগদু উপজেলার পেরাছড়া লেমুছড়ি এলাকায় অবৈধ মাদকের চোরাচালান আসে। পরবর্তীতে সেখান থেকে দীঘিনালা ও খাগড়াছড়িতে ভারতীয় অবৈধ (সিগারেট, গাঁজা ইয়াবা)মাদকের চোরাচালান যায় বলে তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে লংগদু জোনের জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মীর মোর্শেদ, এসপিপি,পিএসসি’র নির্দেশনায়, ভারপ্রাপ্ত জোন টুআইসি মেজর রিফাত উদ্দিন আহমেদ লিওন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সাবজোন কমান্ডার মেজর ফেরদৌস এবং সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার রফিক এর নেতৃত্বে দুইটি বিশেষ অপারেশন টীম সন্ধ্যা ৬টার দিকে লেমুছড়ি মদনঘাট এলাকায় পৌঁছেন।
উক্ত অপারেশন দল দু’দিক থেকে চারটি ভাগে বিভক্ত হয়ে মদনঘাট এলাকায় গোপনীয়তার সাথে অবস্থান নেন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর রাত আনুমানিক ৮ টায় সন্দেহভাজন একটি নৌকা মদনঘাটে ভীরতে দেখা গেলে সন্দেহের সৃষ্টি হলে টহল টীমের কমান্ডার সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার রফিক নৌকাটিকে গোপনে আটকানোর চেষ্টা করলে চোরাকারবারী দল সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ঝড় বৃষ্টির মধ্যে রাতের অন্ধকারে নৌকা দিয়ে পালিয়ে যায় ।এসময়ে নদীর ঘাটে তল্লাশি চালিয়ে নদীর চরের মাঝখান হতে বস্তাবর্তী অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তেজস্বী বীর, লংগদু জোন। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা। সুত্রটি আরো জানায়, উক্ত মাদকের চোরা চালানটি (সিগারেট) দীঘিনালা হয়ে খাগড়াছড়িতে পৌঁছাতে চোরাকারবারীরা বাঘাইছড়ির মারিশ্যার পাহাড়ী জনপদ ও কাপ্তাই হ্রদকে ব্যবহার করে।
লংগদু জোনের জোন কমান্ডার জানান, এসব চোরাচালানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন।








