সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

কমলমগরে কাগজে-কলমে ট্যাগ অফিসার খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ

Reporter Name / ২৩৬ Time View
Update : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

 

মোখলেছুর রহমান ধনু

রামগতি -কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

 

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে  খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে নিয়োগপ্রাপ্ত অধিকাংশ ডিলারদের  বিভিন্ন অনিয়ম রয়েছে।

 

অফিসসূত্রে জানা যায়, উপজেলা ৯টি ইউনিয়নে ডিলার সংখ্যা ২০ জন। সুবিধাভোগী ৭হাজার ৩৬২জন। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ভোক্তারা মোট চাল পাবেন ২০৪ মে.টন প্রায়।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, চাল বিতরণে ডিলাররা ভোক্তাদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্য নিয়ে নানা অজুহতে ওজনে চাল কম দিচ্ছেন। কিছু কিছু ডিলার চাল বিতরণে স্থলে উল্টো চিত্রের অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মাহবুবুল আলমের  মনিটরিংয়ের অভাবে এবেহাল অবস্হা। কিছু সংখ্যক ডিলার রুলস অনুযায়ী  চাল বিতরণ করছেন।  বেশিরভাগ ডিলারই সরকারী নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নিজের সুবিধানুযায়ী চাল বিতরণ করেন। ডিলাররা তাদের পছন্দমত  টাইম বেধে দেন ভোক্তাদের।

 

তালিকায় নামধারীরা ডিলারদের পছন্দের দিনে না আসলে  নানা অজুহতে চাল থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ অহরহ ।

 

সরকারী চাল  বিতরণ কার্যক্রম আইনে ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সহি/স্বাক্ষর চাল নেয়। কিন্তু তাদের চাল বিতরণ  চিত্র দেখা গেছে  ভিন্ন। কার্ডধারীদের দাবি , সরকারি নিয়মানুযায়ী চাল বিতরণ করলে আমাদের উপকার হয়। চাল বিতরণে ওজনে বস্তাপ্রতি দুই/এক  কেজি কম এটি অনেক পুরনো বিষয়। নামপ্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন  ডিলার বলের, খাদ্য গুদামে ‘স্প্রিট মানি; দিলে ভালো চাল পাওয়া যায়।   ওজনে সঠিক হয়। না হলে ছেঁড়া, লুজ  ওজনে চাল কম হওয়ার তিক্ততার কথা ব্যক্ত করেন। আর এসবের পেছনে হাত রয়েছে এক শ্রেণীর লোকের।  যদি এমন মন্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার  মেসার্স মদিনা ট্রেডার্স,  মেসার্স খাঁন ষ্টোর, মেসার্স নাহার ট্রেডার্স, যায়েদ ট্রেডার্স ও সামি ট্রেডার্স। এগুলো যথাযথ ভাবে চাল না দিয়ে নিজের ইচ্ছামতো চাল বিতরণ করেন।  তোরাবগন্জের ট্যাগ অফিসার খোকন চন্দ্র দাসের সাথে কথা হলে তিনি চাল বিতরণ করেছেন বলে জানান। প্রকৃত পক্ষে ওই সময়ের মধ্যে  চাল বিতরণ করে নাই।

 

এবিষয়ে উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক  ও  উপজেলা খাদ্যবান্ধব কমিটির সদস্য সচিব মো. মাহবুবুল আলম বলেন,  আমরা চাল বিতরণে অনমতি দিয়েছি। কেউ যথাসময়ে বিতরণ না করলে বিধিমোতাবেক তার বিরুদ্ধে  ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।

 

আমরা  কোন ডিলারের  কাছ থেকে কোন সুবিধাতো নেই না। তাহলে কেন তারা বিলি বন্টনে অনিয়ম করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর