রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শাহজাদপুর থানায় ছাত্রদল নেতার হামলা: পুলিশ সদস্যের মোবাইল ভাঙচুর সমন্বয়হীনতায় সোলার বিদ্যুৎ গলার কাঁটা,মাসে ৫ লাখ টাকা গচ্চা শাহজাদপুরে দুধের কারখানায় বায়োগ্যাস বিস্ফোরণ: ২ শ্রমিক আশঙ্কাজনক এমআরএ-এর নির্দেশনা উপেক্ষা; ঈশ্বরদীতে নিউ এরা ফাউন্ডেশনের কর্মীদের শনিবারও কিস্তি আদায়ে বাধ্য করার অভিযোগ কমলনগরে জনবসতিতে অবৈধ পোল্ট্রি খামার: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী, অসুস্থ ৬ উল্লাপাড়ায় বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম এর দাফন সম্পুর্ণ  খাগড়াছড়িতে বিএনপি’র রাজনীতিতে অদম্য এক নারী কুহেলী দেওয়ান ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার-০২ খাগড়াছড়ি মানিকছড়িতে মাহা সংগ্রাই উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা; আরেশে মারমা চ্যাম্পিয়ন অভয়নগরে ভুয়া দর্জি প্রশিক্ষণের জাল, নিবন্ধনহীন প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ বাণিজ্য

লালমোহনে পৌর মার্কেট বরাদ্দের নামে দুই কোটি টাকা হাতালেন মেয়র

Reporter Name / ১১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

 

ভোলা প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন পৌরসভার একটি মাল্টি-পারপাস মার্কেটের ঘর বরাদ্দের নামে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিনের বিরুদ্ধে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন প্রধান খাল থেকে থানার মোড় পর্যন্ত বয়ে যাওয়া সংযোগ খালের ওপর পৌর মাল্টি-পারপাস মার্কেট নির্মাণ করেন মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিন।

ওই মার্কেটের ১২৪টি ঘর বরাদ্দের জন্য গ্রাহক প্রতি আড়াই থেকে তিনলক্ষ টাকা করে নিয়ে মাত্র একলক্ষ টাকা পৌর কোষাগারে জমা দেখান তিনি। ঘরপ্রতি বাকি দেড়-দুইলক্ষ টাকা করে ১২৪টি ঘরের প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেন মেয়র তুহিন।

এদিকে বরাদ্দ হলেও জেলা পরিষদের বাঁধার কারণে মার্কেটের ঘরগুলো গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিতে পারেননি। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পরে ১৮ আগস্ট পৌরসভার মেয়রদেরকে অপসারণ করে সংশ্লিষ্ট স্থানে প্রশাসক নিয়োগ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। পরে পৌর প্রশাসক কর্তৃক ওই মার্কেটের ঘরগুলো গ্রাহকদের বুঝিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলে প্রকাশ পায় মেয়রের টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা।

ওই মার্কেটে বরাদ্দ পাওয়া একাধিক গ্রাহকের সাথে আলাপকালে পৌরসভায় ঘরপ্রতি আড়াই থেকে তিনলক্ষ টাকা দেয়ার কথা জানান তারা। তবে ঘর হারানোর ভয়ে প্রকাশ্যে আসতে চান না তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এমদাদুল ইসলাম তুহিন বলেন, একলক্ষ টাকা করে পৌরসভার ফান্ডে জমা হয়েছে। আর যে বাড়তি টাকা নিছে, সেই টাকা আমি নিয়েছি এরকম না। সাবেক এমপি অফিসিয়াল খরচের কথা বলে এ টাকাটা নিছে। এ অফিস কোনটা? এমন প্রশ্নের জবাবে ‘পেট অফিস’ বলে আখ্যা দেন তিনি।

এদিকে সাবেক এ মেয়রের বিরুদ্ধে পূর্বেরও দুর্নীতির মামলা রয়েছে এবং খোঁজ নিলে আরও দুর্নীতি বেরিয়ে আসবে। তাই দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতনমহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর