বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লংগদুতে নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন দূর্গম ভোটকেন্দ্র সমূহ পরিদর্শনে ইউএনও  মোহনগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন রায়গঞ্জে ট্রাক চাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু  খাগড়াছড়িতে ইয়াকুব আলী চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টা নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটির খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকদের নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ এনসিপি নেতার আবেদনে সিংড়া পৌরসভা পেল ৪০ লক্ষ টাকার বরাদ্দ হাটিকুমরুল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন: সভাপতি জাকির, সম্পাদক মোর্শেদ সিংড়ার গ্রাম-গঞ্জে কম্বল বিতরন করছেন ইউএনও  বারবার একই ব্যক্তির প্রশিক্ষণ, বঞ্চিত অভিজ্ঞ সাংবাদিকরা : বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন হাতীবান্ধা সীমান্তে বিজিবি’র নতুন বিওপি উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রী কে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name / ৮০ Time View
Update : বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে দুই লাখ টাকা যৌতুক না পেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন (৩০) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার দায় তার স্বামী মো. মতিউর রহমান খদগীর ওরফে আব্দুল মতিনকে  (৪৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।একই আসামিকে দ্য পেনাল কোডের ২০১ ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেল তিনটার দিকে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক বেগম সালমা খাতুন এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মতিন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বাসিন্দা। ওই আদালতের পেশকার মো. মোক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ২ জুন মানিকগঞ্জ জেলার ঘিয়র উপজেলার তেরোদোনা গ্রামের আব্দুল কাদেরের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিকে বিয়ে করেন আব্দুল মতিন খদগীর। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই মতিন তার স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুক এনে দিতে বলে।কিন্তু সাবিনার বাবা আব্দুল কাদের যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ অবস্থায় ২০১১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সাবিনাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে যৌতুকের টাকা চাইলেও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে ফিরিয়ে দেন। বাড়িতে এসেই স্ত্রী সাবিনাকে ব্যাপক মারধর করেন তিনি। এর দুদিন পর থেকে সাবিনা ও তার স্বামী মতিনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

দীর্ঘদিন তাদের ফোন বন্ধ পেয়ে ১০ সেপ্টেম্বর সাবিনার বাবাসহ অন্যান্য আত্মীয়রা মেয়ের খোঁজে তাড়াশের ভায়াট গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে সাবিনাকে না পেয়ে  আত্মীয়দের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। ১৩ অক্টোবর এক আত্মীয়ের মাধ্যমে জানতে পারেন, কিছুদিন আগে তাড়াশ থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যা টিভিতে প্রচারও হয়েছে। বিষয়টি শুনে তাড়াশ থানায় খোঁজ নিয়ে সাবিনার পরিবারের লোকজন মরদেহ সনাক্ত করেন। তখন পুলিশ তাদের জানায়, ২৯ সেপ্টেম্বর তাড়াশের মথুরাপুর নামক স্থানে ধানক্ষেত থেকে সাবিনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত সাবিনার ভাই আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আব্দুল মতিন খদগীরকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দেয়। বিচারক শুনানি শেষে বুধবার এ রায় ঘোষণা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর