সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

সিরাজগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রী কে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name / ৯৪ Time View
Update : বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে দুই লাখ টাকা যৌতুক না পেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন (৩০) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার দায় তার স্বামী মো. মতিউর রহমান খদগীর ওরফে আব্দুল মতিনকে  (৪৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।একই আসামিকে দ্য পেনাল কোডের ২০১ ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেল তিনটার দিকে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক বেগম সালমা খাতুন এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মতিন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বাসিন্দা। ওই আদালতের পেশকার মো. মোক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ২ জুন মানিকগঞ্জ জেলার ঘিয়র উপজেলার তেরোদোনা গ্রামের আব্দুল কাদেরের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিকে বিয়ে করেন আব্দুল মতিন খদগীর। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই মতিন তার স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুক এনে দিতে বলে।কিন্তু সাবিনার বাবা আব্দুল কাদের যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ অবস্থায় ২০১১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সাবিনাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে যৌতুকের টাকা চাইলেও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে ফিরিয়ে দেন। বাড়িতে এসেই স্ত্রী সাবিনাকে ব্যাপক মারধর করেন তিনি। এর দুদিন পর থেকে সাবিনা ও তার স্বামী মতিনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

দীর্ঘদিন তাদের ফোন বন্ধ পেয়ে ১০ সেপ্টেম্বর সাবিনার বাবাসহ অন্যান্য আত্মীয়রা মেয়ের খোঁজে তাড়াশের ভায়াট গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে সাবিনাকে না পেয়ে  আত্মীয়দের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। ১৩ অক্টোবর এক আত্মীয়ের মাধ্যমে জানতে পারেন, কিছুদিন আগে তাড়াশ থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যা টিভিতে প্রচারও হয়েছে। বিষয়টি শুনে তাড়াশ থানায় খোঁজ নিয়ে সাবিনার পরিবারের লোকজন মরদেহ সনাক্ত করেন। তখন পুলিশ তাদের জানায়, ২৯ সেপ্টেম্বর তাড়াশের মথুরাপুর নামক স্থানে ধানক্ষেত থেকে সাবিনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত সাবিনার ভাই আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আব্দুল মতিন খদগীরকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দেয়। বিচারক শুনানি শেষে বুধবার এ রায় ঘোষণা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর