সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তাড়াশে অসহায় পরিবারের পাশে ইউএনও নুসরাত জাহান সিরাজগঞ্জের অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, ৯ লাখ টাকা জরিমানা নেত্রকোণায় ডিবির অভিযানে ভারতীয় জিরা ও ফুছকা জাতীয় মালামাল জব্দ রাতের অন্ধকারে মাছ উধাও, আলোতে আসতেই সুপারের পাল্টা নাটক, সাংবাদিককে ফাঁসাতে ষড়যন্ত্র  গোপালগঞ্জে এনজিও ঋণ কেলেঙ্কারি: হিসাব গরমিলে আত্মসাত, কর্মকর্তা কারাগারে সিংড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ছাত্রদল নেতা নিহত ময়মনসিংহে অশোভন আচরণে শিক্ষামন্ত্রীর অনুষ্ঠান বর্জন করলেন সাংবাদিকরা লোহাগাড়ায় অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ভুল রিপোর্ট, উপজেলা জুড়ে সমালোচনার ঝড় ময়মনসিংহে জরুরী হাম টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ উদ্বোধন  ময়মনসিংহে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক আসামি গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪

নেত্রকোণায় ডিবির অভিযানে ভারতীয় জিরা ও ফুছকা জাতীয় মালামাল জব্দ

Reporter Name / ৯ Time View
Update : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

 

শংকর চন্দ্র সরকার, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি :

আজ সকালে নেত্রকোণা ডিবি পুলিশ গোপন সুত্রে তথ্য পেয়ে এক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ভারতীয় ৪০ বস্তা ফুছকা ও ২৬ বস্তা জিরা পিকাপ ভ্যান , ভ্যানচালক ও তার হেলপারকে আটক করে।

জেলার কলমা কান্দা থেকে পিকাপ ভ্যানে করে চোরা কারবারিরা এইসব পন্য নেত্রকোণা সদরে আনার পর ডিবি পুলিশের একটি টিম শহরের রাজুর বাজার এলাকা থেকে ধাওয়া করে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে পিকাপ ভ্যান আটকের পর এই সব মালামালের তথ্য পাওয়া যায়।জব্দকৃত মালামাল ডিবি পুলিশ হেপাজতে রাখা হয়েছে।

নেত্রকোণা ডিবি পুলিশের এস আই জলিল, এসআই সৈকত, এএস আই আবুল কালামসহ আরও চারজন পুলিশ সদস্য এ অভীযানে অংশ গ্রহণ করে।

নেত্রকোণা সুসিল সমাজ বেশ কয়েকজন বলেন, গত কিছুদির ধরে চোরাকারবারিরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে পুলিশ প্রশাসনের সহযেগীতায়। সীমান্তবর্তী উপজেলা কলমাকান্দা চোরা কারবারিদের আতুর ঘর। চোরা কারবারিরা কলমাকান্দা থানার আস্কারায় বারহাট্টা, নেত্রকোণা সদর থানা, নেত্রকোণা ডিবি ও কেন্দুয়া থানাকে ম্যানেজ করেই চালিয়ে যাচ্ছে তাদের চোরা কারবারির কাজ। প্রশাসন যদি চোরা কারবারিদের ব্যাপারে একটু সুদৃষ্টি দিত তাহলে চোরাকারবারিরা এ সব কাজ করতে সাহস পাইত না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চোরা কারবারির সাথে কথাবলে জানাযায় প্রথমে তারা যে সব এলাকা থেকে চোরাই মালামাল ক্রয় করেন সংশ্লিষ্ট থানাকে তারা সপ্তাহে মোটা অংকের টাকা প্রদান করেন। গন্তব্যে পৌঁছতে যেসব থানা অতিক্রম করতে হয় সেসব থানাকেও টাকা দেওয়ার পর তারা লাইন পায়। তারপর তারা সাপ্তাহে তিন থেকে চারবার মালামাল নিতে পারেন। আর এ কাজে তাদেরকে সহযোগীতা করেন কলমাকান্দা ও নেত্রকোণা সদরের বেশকিছু রাজনৈতিক নেতা কর্মীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর