ফিরোজ আল আমিন
নিজস্ব প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন মো. নাহিদ হাসান। তবে কলেজটির সামগ্রিক ফলাফলে দেখা গেছে, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৪৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৭৬ জন। সে হিসাবে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে, অকৃতকার্য হয়েছেন ১৭০ জন শিক্ষার্থী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে তাড়াশ ডিগ্রি কলেজের এ চিত্র উঠে এসেছে। কলেজের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। বাকি ৭৫ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছেন। আর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ অকৃতকার্য হওয়ায় কলেজটির সামগ্রিক ফলাফল নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থী মো. নাহিদ হাসান তাড়াশ উপজেলার ধানকুন্টি গ্রামের কুমারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবা মো. রাশিদুল ইসলাম এবং মা মোছা. মিনা খাতুন। পরিবারের সন্তান নাহিদের এ সাফল্যে স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, তাড়াশ ডিগ্রি কলেজ থেকে এবার মোট ২৪৬ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ৭৬ জন উত্তীর্ণ এবং ১৭০ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার ৩০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। কলেজটির ফলাফলে একমাত্র জিপিএ-৫ অর্জনকারী হিসেবে নাহিদ হাসানের নাম উঠে এসেছে।
একদিকে নাহিদের ব্যক্তিগত সাফল্য, অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি কলেজটির সামগ্রিক ফলাফল বিশ্লেষণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পাঠ প্রস্তুতি, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নাহিদের এই অর্জন তাঁর পরিবার ও এলাকার জন্য আনন্দের হলেও কলেজের ফলাফলে পাসের হার তুলনামূলক কম হওয়ায় শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে। শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও কলেজ কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নাহিদ হাসানের কাছে তাঁর এই সাফল্য ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষার পথে নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে—এমন প্রত্যাশা পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের। তাঁরা তাঁর আগামী দিনের শিক্ষা ও কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেছেন।