শিরোনাম
লালমোহনে চরভূতা ইউনিয়ন জিয়া পরিষদের ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন তৃতীয় বর্ষপূর্তিতে বাঙালি ভোজে খাবারে বিশেষ ছাড় লালমোহনে কিশোরের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করার অভিযোগ রাজশাহীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও যুব সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ভাঙ্গুড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক ব্যবহারে কৃষক অসুস্থ, মামলা করতে এসিল্যান্ডের নির্দেশ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত সোনারগাঁওয়ে জমি বিরোধের জেরে ঘুমন্ত কিশোরীর গায়ে গরম পানি ঢালার অভিযোগ পূর্বধলায় এসিল্যান্ড কার্যালয়ে গ্রিল কেটে চুরি, নগদ টাকা ও ক্রেডিট কার্ড গায়েব সুন্দরবন পাড়ে চিকিৎসার আর্তনাদ:আশার আলো হয়ে মনোয়ার  
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন

ঘুনি ইসলামিক মিশনে ফলজ ও বনজ গাছ কাটার অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম / ২৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

 

পারভেজ আলী মোহর, বাঘারপাড়া (যশোর) থেকে

যশোর সদর উপজেলার ঘুনি ইসলামিক মিশন প্রাঙ্গণে একাধিক ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। ফলধারণকারী আমলকি গাছসহ ২২ থেকে ২৩টি আমগাছ এবং দুটি বড় মেহগনি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। সরকারি প্রতিষ্ঠানের জায়গায় থাকা এসব গাছ কাটার ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম ও অনুমোদন অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গোপালগঞ্জ ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে উপপরিচালক (ডিডি) হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি তিনি যশোর সদর উপজেলার ঘুনি ইসলামিক মিশনের অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগে মিশন প্রাঙ্গণে থাকা দুটি বড় মেহগনি গাছ কেটে ফেলা হয়। গাছ দুটির আনুমানিক মূল্য প্রায় এক লাখ টাকা বলে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া মিশন এলাকায় থাকা ২২ থেকে ২৩টি আমগাছও গোড়া থেকে কেটে ফেলার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, মিশনের কর্মীদের উদ্যোগে লাগানো কিছু গাছও পরবর্তী সময়ে কেটে দেওয়া কিংবা উপড়ে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও সবুজায়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

সর্বশেষ গত ১০ অক্টোবর শনিবার মিশন প্রাঙ্গণে ফলধারণকারী একটি আমলকি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, মসজিদের ইমাম ও মক্তবের শিক্ষক গাছটি না কাটার অনুরোধ জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।

এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠানের জায়গায় থাকা গাছ কাটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, গাছ কাটার আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা প্রশাসন কিংবা বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়নি। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছিল কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি সম্পত্তির অংশ হিসেবে মিশন প্রাঙ্গণের গাছগুলো কী প্রক্রিয়ায় কাটা হয়েছে, কতগুলো গাছ কাটা হয়েছে এবং এর জন্য কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

তবে গাছ কাটার অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

স্থানীয়রা সরকারি প্রতিষ্ঠানের জায়গায় থাকা গাছ কাটার বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
26 October 2026

ঘুনি ইসলামিক মিশনে ফলজ ও বনজ গাছ কাটার অভিযোগ

www.dainikkagoj.com
26 October 2026

ঘুনি ইসলামিক মিশনে ফলজ ও বনজ গাছ কাটার অভিযোগ

www.dainikkagoj.com