সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

সমকামিতা ও হয়রানির অভিযোগে ইবির শিক্ষকে অপসারন

Reporter Name / ১৯১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

 

 

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

সমকামিতার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাফিজুল ইসলামকে চাকরি থেকে অপসারণ করেছে প্রশাসন।

সোমবার (৩০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেটের ২৬৭তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিষয়টি পুনরায় তদন্তের জন্য গঠিত কমিটির সুপারিশে সিন্ডিকেটের ২৬৮তম সভার ৭ নম্বর সিদ্ধান্ত মোতাবেক, পূর্ববর্তী ও পরবর্তী তদন্তের আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, হাফিজুল ইসলামের আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার পরিপন্থি এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির ৪(১)(এফ) ধারা অনুযায়ী তাঁকে ৩১ মে ২০২৫ থেকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

এর আগে সমকামিতা, শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও যৌন হয়রানিসহ নানা অভিযোগে গত বছরের ৭ অক্টোবর হাফিজুল ইসলামের বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামে বিভাগের শিক্ষার্থীরা। পরে তারা লিখিতভাবে উপাচার্যের কাছে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অন্তত ২৭টি অভিযোগ উত্থাপন করেন এবং মৌখিকভাবে ঘটনাগুলোর বিবরণ দিয়ে তাঁর অপসারণের দাবি জানান।

পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে সিন্ডিকেটের ২৬৬তম সভায় হাফিজুল ইসলামের একটি বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয় এবং তাঁকে এক বছরের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। তবে বিভাগের শিক্ষার্থীরা সিন্ডিকেটের ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যান। পরে প্রশাসন বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করে হাফিজুল ইসলামকে চাকরি থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর