বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার লংগদুতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ পালিত  লংগদু গাঁথাছড়া বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার দাখিল শিক্ষার্থীদের দোয়া ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দীঘিনালায় চার দশকের শিক্ষকতা শেষে সম্মানে বিদায় শান্তি রঞ্জন দেওয়ান ভোলাহাট প্রেসক্লাবের “পরিবার বনভোজন” আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত আটঘরিয়ায় ফজলুল হক কে হত্যাচেষ্টা: দুই পা গুঁড়িয়ে দিলেও অধরা আসামিরা, এলাকায় চরম আতংক বিরাজ করছে  রাণীশংকৈলে জামায়াত নেতা মহর আলীর দাফন সম্পন্ন মানিকদিপা দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার দাখিল-২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া  ৯১ বছরেও খেলার মাঠ নেই—কমলনগরের কে.এম. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চরম সংকট সিরাজগঞ্জের তাড়াশে খালকুলা বাজারে ডেইরি খামারিদের জন্য বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত

৯১ বছরেও খেলার মাঠ নেই—কমলনগরের কে.এম. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চরম সংকট

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

 

মোখলেছুর রহমান ধনু

রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ৮নং চর কাদিরা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে.এম. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দীর্ঘ ৯১ বছরের পথচলায় হাজারো শিক্ষার্থীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করলেও এখনো গড়ে ওঠেনি একটি স্থায়ী খেলার মাঠ। ফলে বিদ্যালয়ের প্রায় চার থেকে পাঁচ শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

জানা যায়, ১৯৩৫ সালে ফজুমিয়ার হাট সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শত শত শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়ন করছে। কিন্তু নিজস্ব খেলার মাঠ না থাকায় শিশুদের খেলাধুলার জন্য যেতে হয় দূরবর্তী ভুলুয়া নদীর পাড়ে। এতে যেমন সময় নষ্ট হয়, তেমনি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন অভিভাবকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের সামনেই ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত ৭৩৪২ দাগে প্রায় ৬৩ শতাংশ পরিত্যক্ত জলাশয় রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এই জমি বিদ্যালয়ের নামে বরাদ্দ দিয়ে ভরাট করা হলে সহজেই একটি আধুনিক খেলার মাঠ নির্মাণ সম্ভব।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, “শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলার মাঠ অপরিহার্য। মাঠ না থাকায় আমরা গোল্ড কাপ টুর্নামেন্ট, আন্তঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কিংবা জাতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম আয়োজন করতে পারছি না। ইতোমধ্যে খাস জমি বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন জানানো হয়েছে।”

এদিকে স্থানীয় অভিভাবক মোখলেছুর রহমান ধনু, মিজানুর রহমান সোহেল ও মাহফুজুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র প্রশাসনিক জটিলতার কারণে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

তারা দ্রুত পরিত্যক্ত জলাশয়টি ভরাট করে একটি নিরাপদ ও স্থায়ী খেলার মাঠ নির্মাণে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

৯১ বছরের পুরোনো এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি খেলার মাঠ এখন সময়ের দাবি—এমনটাই মনে করছেন সচেতন এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর