শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত,সিরাজগঞ্জ সোলার পার্কের বহুমুখী সাফল্য ও সম্ভাবনা তাড়াশে মেয়র পদে সোলায়মান হোসেন সিহাবকে দেখতে চায় সর্বস্তরের জনগণ তাড়াশ পৌর শহরে অবকাঠামো উন্নয়নে বেহাল চিত্র, বাড়ছে জনদুর্ভোগ জলাশয় ইজারা নিয়ে রণক্ষেত্র রায়গঞ্জ,সংঘর্ষে দুই বিএনপি কর্মী নিহত, আহত ১৫ কাশিয়ানীতে মাদকবিরোধী অভিযান: ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার, নিয়মিত মামলা দায়ের পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে জাতীয়তাবাদী তৃণমুল দলের ফুলের শুভেচ্ছা লংগদু বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  ডোমারে মুড়ির কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত,সিরাজগঞ্জ সোলার পার্কের বহুমুখী সাফল্য ও সম্ভাবনা

Reporter Name / ১২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

ফিরোজ আল আমিন, নিজস্ব প্রতিনিধ:

​দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে যমুনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত ‘সিরাজগঞ্জ ৬৮ মেগাওয়াট সোলার পার্ক’। বর্তমান সরকারের ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের যে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা, তা অর্জনে এই প্রকল্পটি এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এটি কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রই নয়, বরং একই জমিতে কৃষি ও পশুপালনের মতো বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের জ্বালানি ও কৃষি অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।​২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা এই সোলার পার্কের ইনস্টল ক্যাপাসিটি ৭৫ মেগাওয়াট হলেও, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী এটি জাতীয় গ্রিডে ৬৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। গত বছর রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত সত্ত্বেও, কেন্দ্রটি ১৮.৫০ শতাংশের একটি ঈর্ষণীয় ‘প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর’ অর্জন করেছে, যা সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য একটি অসাধারণ সাফল্য। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনের তুলনায় সৌরবিদ্যুৎ একদিকে যেমন সাশ্রয়ী, অন্যদিকে তেমনি পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপকারী।​সিরাজগঞ্জ সোলার পার্কটি যমুনার প্লাবনভূমির অব্যবহৃত জমিতে নির্মিত হয়েছে, যেখানে সোলার প্যানেলগুলো সুউচ্চ কাঠামোতে স্থাপন করা হয়েছে। এই উদ্ভাবনী নকশার ফলে প্যানেলের নিচের বিশাল স্থানটি কৃষি ও পশুপালনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে, যা জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করছে।

এগ্রো-ভোল্টাইক এর​ প্রকল্প পরিচালক তানভীর রহমানের দূরদর্শী উদ্যোগে প্যানেলের নিচে পরীক্ষামূলকভাবে তরমুজ, মিষ্টি কুমড়া, আলু, বেগুন ও পেঁয়াজসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি চাষ করা হচ্ছে। এই ‘এগ্রো-ভোল্টাইক’ পদ্ধতি একই জমিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও কৃষি কার্যক্রমকে সফলভাবে একীভূত করেছে।

​প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এই মডেলটি সফল হলে দেশের অন্যান্য জায়গাতেও কৃষিজমি নষ্ট না করে বড় বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভব হবে। যমুনার চরাঞ্চলে এই উদ্যোগ কেবল পরিবেশ রক্ষায় নয়, স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বড় ভূমিকা রাখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর