সিরাজগঞ্জে মামা মন্ত্রী, ভাগনে প্রতিমন্ত্রী: আনন্দের জোয়ার
ফিরোজ আল আমিন, নিজস্ব প্রতিনিধি:
সদ্য গঠিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে একই সঙ্গে মামা ও ভাগনে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এই ঘটনায় সিরাজগঞ্জ জেলাজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইছে। জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই যুগলবন্দী নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগেও ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকারের সময় তিনি একই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন । তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং এলাকার উন্নয়নে তার ভূমিকা সর্বজনবিদিত। তার মন্ত্রীত্ব প্রাপ্তিতে সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ উপজেলায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসন থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. এম এ মুহিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চক্ষু বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. এম এ মতিনের সুযোগ্য পুত্র। ড. মুহিতের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ শাহজাদপুরসহ সমগ্র সিরাজগঞ্জে নতুন প্রজন্মের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে এর আগেও একাধিক ব্যক্তি মন্ত্রী হয়েছেন, তবে এবারই প্রথম একই সঙ্গে মামা ও ভাগনে মন্ত্রিসভায় স্থান পেলেন। এটি জেলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই দুই প্রভাবশালী নেতার একসঙ্গে মন্ত্রিসভায় থাকা জেলার সার্বিক উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যাপক অগ্রগতির সম্ভাবনা দেখছেন তারা।সিরাজগঞ্জের সাধারণ জনগণ এই দুই মন্ত্রীর কাছে ব্যাপক প্রত্যাশা করছেন। তারা আশা করছেন, তাদের নেতৃত্বে সিরাজগঞ্জ একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ জেলা হিসেবে গড়ে উঠবে। এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।








