সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

খেজুরের রসে জীবিকা নির্বাহ করছেন গাছি আব্দুল মান্নান 

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

 

 

মোঃ আখতার হোসেন হিরন :

শীতকালে খেজুরের রসের চাহিদা বেড়ে যায়,সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা অঞ্চলে মানুষের সেই চাহিদা মেটাচ্ছেন গাছি আব্দুল মান্নান (৭০)। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আশেপাশের গ্রাম গুলোতে শীতের সকালে খেজুর রস লাগবে খেজুর রস! এরকম হাকডাকে রস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে এখন খেজুর গাছ কমে যাওয়ায় তাকে আর গ্রামে গ্রামে ঘুরে রস বিক্রি করতে হয়না। তার খেজুরের রসের টানে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন মানুষ ভিড় জমান গাছি আব্দুল মান্নানের বাড়িতে।

 

তার নিজের কয়েকটি গাছ সহ আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে খেজুর গাছ থেকে রস পেরে/ কিনে মৌসুমি ব্যবসা করে যাচ্ছেন। এ বছর ২০/২৫টি খেজুর গাছ পরিচর্যা করে মৌসুমি চুক্তিতে গাছগুলো থেকে প্রতিদিন অন্তত ৫০-৬০ লিটার রস সংগ্রহ করেন। লিটারপ্রতি ৮০-১০০ টাকা বিক্রি করেন।

 

গাছি আব্দুল মান্নান বলেন, ‌আমার গ্রামসহ আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম থেকে ২০-২৫ টি খেজুর গাছ লাগিয়েছি।

ডিসেম্বর মাসের শেষ দিক থেকে রস নামানো শুরু করে এখন রস বিক্রি করে যাচ্ছি।

 

আমি ভোররাত থেকে রস নামিয়ে থাকি। প্রতি লিটার ৮০-১০০ টাকা দরে মানুষকে দেই। এখানে খেজুরের গাছ কম থাকায় ব্যাপক চাহিদা আছে। তিনি আরও বলেন, ‘রসের ব্যবসা মাত্র তিন মাসের। পুরো বছর এই তিন মাসের অপেক্ষায় থাকি। ডিসেম্বর থেকে গাছের পরিচর্যায় আমি কাজ করছি। খেজুরের রস নিতে এসে না পেয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন রাকিবুল। তিনি বলেন, রস পাওয়া যাবে বলে সিরাজগঞ্জ রোড থেকে এসেছিলাম। তবে আমরা অবেলায় আসার কারণে আজ পাইনি। অন্য কোনো দিন সময় অনুযায়ী আবার আসবো। সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস বিক্রির এই মৌসুমি ব্যবসা গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে প্রান্তিক কৃষকদের জীবিকা নির্বাহ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর