বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
লংগদুতে নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন দূর্গম ভোটকেন্দ্র সমূহ পরিদর্শনে ইউএনও  মোহনগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন রায়গঞ্জে ট্রাক চাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু  খাগড়াছড়িতে ইয়াকুব আলী চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টা নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটির খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকদের নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ এনসিপি নেতার আবেদনে সিংড়া পৌরসভা পেল ৪০ লক্ষ টাকার বরাদ্দ হাটিকুমরুল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন: সভাপতি জাকির, সম্পাদক মোর্শেদ সিংড়ার গ্রাম-গঞ্জে কম্বল বিতরন করছেন ইউএনও  বারবার একই ব্যক্তির প্রশিক্ষণ, বঞ্চিত অভিজ্ঞ সাংবাদিকরা : বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন হাতীবান্ধা সীমান্তে বিজিবি’র নতুন বিওপি উদ্বোধন

খেজুরের রসে জীবিকা নির্বাহ করছেন গাছি আব্দুল মান্নান 

Reporter Name / ৮ Time View
Update : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

 

 

মোঃ আখতার হোসেন হিরন :

শীতকালে খেজুরের রসের চাহিদা বেড়ে যায়,সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা অঞ্চলে মানুষের সেই চাহিদা মেটাচ্ছেন গাছি আব্দুল মান্নান (৭০)। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আশেপাশের গ্রাম গুলোতে শীতের সকালে খেজুর রস লাগবে খেজুর রস! এরকম হাকডাকে রস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে এখন খেজুর গাছ কমে যাওয়ায় তাকে আর গ্রামে গ্রামে ঘুরে রস বিক্রি করতে হয়না। তার খেজুরের রসের টানে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন মানুষ ভিড় জমান গাছি আব্দুল মান্নানের বাড়িতে।

 

তার নিজের কয়েকটি গাছ সহ আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে খেজুর গাছ থেকে রস পেরে/ কিনে মৌসুমি ব্যবসা করে যাচ্ছেন। এ বছর ২০/২৫টি খেজুর গাছ পরিচর্যা করে মৌসুমি চুক্তিতে গাছগুলো থেকে প্রতিদিন অন্তত ৫০-৬০ লিটার রস সংগ্রহ করেন। লিটারপ্রতি ৮০-১০০ টাকা বিক্রি করেন।

 

গাছি আব্দুল মান্নান বলেন, ‌আমার গ্রামসহ আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম থেকে ২০-২৫ টি খেজুর গাছ লাগিয়েছি।

ডিসেম্বর মাসের শেষ দিক থেকে রস নামানো শুরু করে এখন রস বিক্রি করে যাচ্ছি।

 

আমি ভোররাত থেকে রস নামিয়ে থাকি। প্রতি লিটার ৮০-১০০ টাকা দরে মানুষকে দেই। এখানে খেজুরের গাছ কম থাকায় ব্যাপক চাহিদা আছে। তিনি আরও বলেন, ‘রসের ব্যবসা মাত্র তিন মাসের। পুরো বছর এই তিন মাসের অপেক্ষায় থাকি। ডিসেম্বর থেকে গাছের পরিচর্যায় আমি কাজ করছি। খেজুরের রস নিতে এসে না পেয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন রাকিবুল। তিনি বলেন, রস পাওয়া যাবে বলে সিরাজগঞ্জ রোড থেকে এসেছিলাম। তবে আমরা অবেলায় আসার কারণে আজ পাইনি। অন্য কোনো দিন সময় অনুযায়ী আবার আসবো। সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস বিক্রির এই মৌসুমি ব্যবসা গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে প্রান্তিক কৃষকদের জীবিকা নির্বাহ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর