শিরোনাম
রামগড়ে মোবাইল কোর্টের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ, বাবাকে জরিমানা দোহারে ড্যাফোডিলস্ হাই স্কুলে ক্ষুদে বিতার্কিকদের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ জীবননগর সীমান্তে ৩ নারী-পুরুষকে পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি সোনারগাঁওয়ে নদী, খাসজমি ও মসজিদের জমি ভরাটের অভিযোগ সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে ইউএনও পার্বতীপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন তানোরে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা ময়মনসিংহে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ক্ষেতলালে ডেন্টাল চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন: টেকনোলজিস্টের নামে প্রেসক্রিপশন ও RCT করার অভিযোগ দামুড়হুদায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর অনশন,গাজীপুরে একই গার্মেন্টসে চাকুরীকালে বিয়ে
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন

দৌলতপুরে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন, নদীগর্ভে বিলীন ৩০০ বিঘা ফসলি জমি

প্রতিবেদকের নাম / ৩১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

 

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীতে ভয়াবহ ভাঙনে শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় ও কোলদিয়াড় এলাকার অর্ধশতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ভিটেমাটি ও জীবিকার প্রধান অবলম্বন হারানোর আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন পদ্মাপাড়ের বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত দুই সপ্তাহে পদ্মার ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলমান ভাঙনে ২৫০ থেকে ৩০০ বিঘা আবাদি জমি, পাটক্ষেত, পশুখাদ্যের ঘাসসহ বিভিন্ন ফসল নদীগর্ভে চলে গেছে।

কোলদিয়াড় গ্রামের কৃষক নেন্টু মিয়া জানান, গত ১৫ দিনে তার প্রায় ৮ বিঘা পাটক্ষেত নদীতে বিলীন হয়েছে। মাজদিয়াড় গ্রামের কৃষক ইউসুফ আলী বলেন, তার প্রায় ৫ বিঘা জমি, পাট ও গবাদিপশুর খাদ্যের জন্য আবাদ করা ঘাস নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, ইয়াসিন প্রামাণিক, আমিরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, বাবুল প্রামাণিক ও সাধু ফরাজিসহ ৫০ থেকে ৬০ জন কৃষকের বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, প্রায় এক মাস ধরে ভাঙন চললেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কিংবা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেননি। ভাঙন রোধে এখনো দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপও নেওয়া হয়নি।

মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, “প্রতিবছরই পদ্মার ভাঙনে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।”

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর রহমান জানান, বর্তমানে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার নিচে থাকলেও পানি বৃদ্ধির কারণে কয়েকটি এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ভাঙনকবলিত এলাকায় তা ফেলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে পদ্মাপাড়ের বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিবছর নদীভাঙনে হাজার হাজার একর ফসলি জমি ও অসংখ্য পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হলেও স্থায়ী নদীশাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের জোর দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আর্কাইভস
20 July 2026

দৌলতপুরে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন, নদীগর্ভে বিলীন ৩০০ বিঘা ফসলি জমি

www.dainikkagoj.com
20 July 2026

দৌলতপুরে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন, নদীগর্ভে বিলীন ৩০০ বিঘা ফসলি জমি

www.dainikkagoj.com