কমলনগরে এলজিইডি প্রকৌশলী আবদুল কাদের মোজাহিদের বিরুদ্ধে দরপত্র আহবানে কারসাজির অভিযোগ
মোখলেছুর রহমান ধনু
রামগতি -কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর প্রকৌশলী আবদুল কাদের মোজাহিদের বিরুদ্ধে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপি ও উপজেলার রাজস্ব খাতের প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে দরপত্র আহবান প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, এই টেন্ডারে উপজেলায় প্রকৌশলী নিজেই ঠিকাদার সেজে এবং পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করায় স্থানীয় ঠিকাদার ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, গত ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখসহ বিভিন্ন সময়ে উপজেলা প্রকৌশলী তিনটি পৃথক ই-টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি (নং ০২/২০২৫-২৬, ০৫/২০২৫-২৬ এবং ০৬/২০২৫-২৬) প্রকাশ করেন। এর মধ্যে LTM পদ্ধতিতে ৯টি ও ১০টি করে প্যাকেজ এবং OTM পদ্ধতিতে ৭টি প্যাকেজে সাজিয়ে দরপত্র আহবান করা হয়।
নিয়ম অনুযায়ী একই অর্থবছরের বরাদ্দকৃত অর্থ দ্বারা ই-টেন্ডারের মাধ্যমে LTM পদ্ধতিতে অথবা OTM পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করার কথা থাকলেও উপজেলা প্রকৌশলী নিজেই ঠিকাদারি করার জন্য এবং তার পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে LTM পদ্ধতির পাশাপাশি OTM পদ্ধতিতে টেন্ডার আহবান করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় ঠিকাদারদের দাবি, প্রযুক্তিগত কারসাজির মাধ্যমে উপজেলা প্রকৌশলী নিজে নামে-বেনামে কাজ নেওয়ার জন্য এবং পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এই OTM পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করা হয়েছে, যা সরকারি ক্রয় নীতিমালা (PPR) পরিপন্থী।
কমলনগর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল কাদের মোজাহিদ বলেন, এলটিএম (LTM)-এর পাশাপাশি ওটিএম (OTM) পদ্ধতিতেও টেন্ডার আহ্বান করা যেতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, টেন্ডার আহ্বানের আগে কোনো ধরনের ইস্টিমেট প্রদান করার প্রশ্নই আসে না।








