সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

রাণীশংকৈলে বালু মহাল না থাকায় বিপাকে ঠিকাদার ও ভাটা ব্যবসায়ীরা

Reporter Name / ৪৪ Time View
Update : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

 

 

অভিষেক চন্দ্র রায়, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় সরকারি ভাবে কোনো বালু মহাল না থাকায় বিপাকে পড়েছেন এলডিইডির উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাস্তা, সেতু ও কালভার্ট, শিক্ষা প্রকৌশলীর অধিনে ভবন নির্মাণের নিয়োগপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও ইটভাটা মালিকরা। এছাড়া ব্যক্তি মালিকানায় পাকা বসতবাড়ি নির্মাণে বালু ব্যবহার নিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অন্যদিকে নির্মাণ কাজে পঞ্চগড় জেলা থেকে উচ্চমূল্যে বালু কিনে এনে কাজ করতে বাধ্য ঠিকাদাররা। সরকার ঘোষিত বালু মহাল না থাকায় প্রতি বছর এ খাত থেকে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্বও হারাচ্ছে। দূর থেকে বালু কিনে এনে এ উপজেলায় বালু বিক্রি করায় বালুর খরচও পড়ে অনেক বেশি। তাই স্থানীয় কুলিক নদী কিংবা জলাশয়ে বালু উত্তোলন করলেই গুনতে হচ্ছে জরিমানা অথবা জেল। এক পরিসংখ্যানে দেখাযায়,রাণীশংকৈল মোট ২৬টি ইটভাটা রয়েছে প্রতিভাটার জন্য প্রয়োজন ৪০হাজার সেপ্টি বালু। এলজিইডিতে ১৪কিঃমিঃ রাস্তা নির্মাণ চলমান। প্রতি কিলোমিটার রাস্তায় ২৭হাজার সেপ্টির বালুর প্রয়োজন। স্থানীয় ভাবে বালুমহাল না থাকার কারণে চোরাই পথে বালু উত্তোলন করে বালু ব্যবহার করছে। প্রশাসনের বাধার কারণে চড়া মুল্যে বালু ক্রয় করতে হয়। এখান থেকে ১শকিলোমিটার দূরে তথা পঞ্চগড়ে বালু মহাল থাকায় সেখান থেকে বালু সংগ্রহ করতে অনেক টাকা বেশি গুনতে হয় তাদের।

স্থানীয় বাসিন্দা, ইটভাটা মালিক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীদের দাবি, দ্রুত যাতে সরকারি ভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী বালু মহাল অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আহাম্মেদ হোসেন বিপ্লব বলেন,এ উপজেলায় বৈধ বালুমহাল না থাকায় দূরের বিভিন্ন জায়গা থেকে উচ্চমূল্যে বালু কিনে ইটভাটা ও নির্মাণ কাজে ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে অর্থ ও সময় অপচয় হচ্ছে। তাই সরকার ঘোষিত বালুমহাল জরুরি হয়ে পড়েছে।

ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবু তাহের বলেন, স্থানীয়ভাবে বালু মহাল না থাকায় ঠিকাদাররা আমরা বে-কায়দায় রয়েছি। দূর থেকে বালু নিয়ে এসে রাস্তা নির্মান কিংবা বিল্ডিং নির্মানে লোকশানে পড়তে হচ্ছে আমাদের।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বহি কর্মকর্তা খাজিদা বেগমের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্ঠা করেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

সহকারি কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মজিবুর রহমান বলেন,বালু মহালের জন্য নিদিষ্ঠ এলাকা লাগে তাই এ উপজেলায় কোন পয়েন্ট নেই। উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে বালু মহাল করার ব্যবস্থা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর